ENG
২৪ জুলাই ২০১৭, ৯ শ্রাবণ ১৪২৪

ঘর হোক প্রশান্তির জায়গা

  • লাইফস্টাইল ডেস্ক,, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2017-05-18 18:18:30 BdST

bdnews24

টেলিভিশন, ভিডিও গেইম, খেলনার শব্দ এমনকি শিশুদের দৌড়ঝাঁপ শব্দের কারণে ঘরকে শান্ত মনে হয় না। ঘরে শৃঙ্খলা ফেরাতে পারলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।

শিশুবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে ঘর শান্ত রাখার জন্য কিছু উপায় সম্পর্কে জানা যায়। কয়েকটি নিয়ম নির্ধারন করে ও তা অনুসরণ করে চলার মাধ্যমে ঘরে শৃংখলা বজায় রাখা সম্ভব।

দেখতে শান্ত লাগে এমন ঘর: ঘরে ছোট শিশু থাকলেও প্রত্যেক অভিভাবকই ঘরে প্রশান্তিভাব আনার চেষ্টা করে থাকেন। কোন কোন বিষয় আপনার ঘরকে আরও বেশি শান্ত রাখতে পারবে তা প্রথমে চিহ্নিত করুন এরপর তা বাস্তবায়নের জন্য সকলকে ঠিকঠাক নির্দেশনা দিন।

ঘরে বেশি সুশৃঙ্খল করতে একটি নিয়মাবলী তৈরি করুণ এবং পরিবারের সবাই যেন তা মেনে চলে সেদিকে খেয়াল রাখুন। 

রুটিন ও সীমা নির্ধারণ: পরিবারে শৃঙ্খলা আনতে নিজের ও শিশুদের জন্য টেলিভিশন এবং কম্পিউটার চালানোর সময়সীমা এমনকি খাবার ও ঘুমানোর সময়ও নির্ধারণ করুণ। পাশাপাশি ঘরের কোন কোন অংশে যেমন- টেলিভিশন বা শোবার ঘরে গ্যাজেট অথবা শিশুদের খেলনা নিয়ে প্রবেশ করা যাবে তা ঠিক করে দিন।   

এলোমেলো ঘর: ঘরে জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখলে তা চোখে অস্বস্তি তৈরি করে। তাই ছোট থেকেই সন্তানকে তার খেলনা, বই, জামাকাপড়সহ অন্যান্য জিনিসপত্র যেস্থান থেকে নিয়েছে কাজ শেষে যেন সেখানেই রাখে এমন শিক্ষা দিন। গোছানোর বিষয়টি থালা বাসনের জন্য প্রযোজ্য। খাওয়া শেষ হলে তার ব্যবহৃত প্লেট গ্লাস ইত্যাদি নির্দিষ্ট জায়গায় আসার শিক্ষাও ছোটবেলা থেকেই দিন। 

বিকল্প খুঁজুন: বাসায় সারাক্ষণ কম্পিউটার বা ভিডিও গেইমের শব্দ মস্তিষ্কে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। তাই সন্তানের বুদ্ধির বিকাশ ঘটাতে এবং তার সঙ্গে গুণগত সময় কাটাতে 'বোর্ড গেইম'য়ের ব্যবস্থা করে দিন। সন্তানের সঙ্গে পার্কে বেড়াতে যান এবং খেলাধুলা করুন।

'প্রশান্তির স্থান' তৈরি করুন: বাসার একটি ঘরকে প্রশান্তির স্থান হিসেবে ব্যবহার করুন। ঘরটি কেবল বিশ্রাম করার জন্য ব্যবহার করুন এবং সব রকমের বাইরের আওয়াজ থেকে ঘরটিকে মুক্ত রাখুন। ধীরে ধীরে সন্তানকেও আপনার সঙ্গে এই ঘরে নিয়ে আসুন। এই ঘরটি যেন কোনো রকমের ঝামেলা এমনকি ফোনও না থাকে। এটি কেবল আপনাকে অবসাদ থেকে দূরে রাখবে তা নয়, পাশাপাশি সন্তানের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে।

ছবি: রয়টার্স।