৭৫ রানেই শেষ বাংলাদেশের যুবারা

আগের দুই ম্যাচেও ব্যাটিং বিপর্যয় এসেছিল। তবে মিডল আর লোয়ার অর্ডারের দৃঢ়তায় সামলানো গেছে। তৃতীয় ম্যাচে ব্যর্থ শুরু থেকে শেষ, সবাই। মাত্র ৭৫ রানেই গুটিয়ে গিয়ে আফগান যুবাদের কাছে হারল বাংলাদেশের যুবারা।

তৃতীয় যুব ওয়ানডেতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ৫ ম্যাচ সিরিজে ফিরিয়েছে সমতা। প্রথম ম্যাচে ১৪৫ রানে জিতেছিল বাংলাদেশ। পরেরটি এক ইনিংস পর পণ্ড হয় বৃষ্টিতে।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে মাত্র ৭৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। যুব ওয়ানেডেতে বাংলাদেশের যেটি চতুর্থ সর্বনিম্ন স্কোর। ৫ উইকেট হারালেও আফগানদের জিততে লেগেছে ১৭.২ ওভার।

বাংলাদেশ শুরু থেকে গড়ে তুলতে পারেনি কোনো জুটি। দলের অধিনায়ক ও সেরা ব্যাটসম্যান সাইফ আউট হন ২ ছক্কায় ২২ বলে ২২ রান করে। দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন আর কেবল একজনই। উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন করেন ২৫।

সাইফ ও মাহিদুল মিলে করেছেন ৪৭ রান। অতিরিক্তি ১০। বাকি ৯ ব্যাটসম্যান মিলে ১৮ রান!

আফগানিস্তান জাতীয় দলের হয়ে গত বছর বাংলাদেশে দুটি ওয়ানডে খেলা পেসার নাভিন উল হক নিয়েছেন ৩ উইকেট। উইকেট শিকারে হাত লাগিয়েছেন অন্যরাও।

প্রথম ম্যাচে আফগানদের ৭৭ রানে গুটিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশের যুবারা। এদিনও ৩৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে জাগিয়েছিল সামান্য আশা। কিন্তু দারওয়াইস আব্দুল রসুলের অপরাজিত ৩৫ রানে শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে তারা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯: ৩০.৩ ওভারে ৭৫ (পিনাক ৬, সাইফ ২২, আফিফ ১, হৃদয় ৫, রাকিব ১, মাহিদুল ২৫, নাঈম ১, অনিক ০, রবিউল ৪, মনিরুল ০*, আরাফাত ০; নাভিন ৩/২৪, জাজাই ১/২৪, ওমারাজি ১/৫, মুজিব ১/১০, তারিক ২/১০, মালিকজাই ০/২)।

আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯: ১৭.২ ওভারে ৮১/৫ (নাভিদ ৬, ইব্রাহিম ২, তারিক ২, মালিকজাই ৯, রসুল ৩৫*, ওয়াদাত ১৫, ইকরাম ০*; আরাফাত ০/০, অনিক ১/১৪, মনিরুল ১/৩৩, নাঈম ২/২১, আফিফ ১/১০, রবিউল ০/২)।

ফল: আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ ৫ উইকেটে জয়ী

সিরিজ: ৫ ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা

ম্যান অব দা ম্যাচ: নাভিন উল হক