‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে স্কটল্যান্ড। গ্রুপের অন্য ম্যাচে নেপালকে ১১৬ রানে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।
আফগানিস্তান-স্কটল্যান্ড
বুলাওয়ায়ো অ্যাথলেটিক ক্লাব মাঠে রোববার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪৯ ওভার ৪ বলে ২৫৫ রানে গুটিয়ে যায় আফগানিস্তানের ইনিংস। জবাবে ১৬ বল বাকি থাকতে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্কটল্যান্ড।
৭১ রানে প্রথম চার ব্যাটসম্যানকে হারানো আফগানিস্তান আড়াইশ ছাড়ায় মোহাম্মদ নবি ও নাজিবুল্লাহ জাদরানের ব্যাটে। দুই জনে পঞ্চম উইকেটে গড়েন ১৪৯ রানের জুটি।
রান আউট হওয়ার আগে ৮২ বলে ৭টি চার ও তিনটি ছক্কায় ৯২ রান করেন নবি। নাজিবুল্লাহ ফিরেন ৬৯ বলে ৬৭ রান করে।
স্কটল্যান্ডের ব্র্যাড হুইল ও রিচি রেরিংটন নেন তিনটি করে উইকেট।
রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি স্কটল্যান্ডের। মুজিব উর রহমান ২১ রানের মধ্যে ফিরিয়ে দেন দুই ওপেনারকে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে আগের ছয় ইনিংসে চারবার শূন্য রানে ফিরেন ম্যাকলয়েড। একবারও যেতে পারেননি দুই অঙ্কে। এবার পেলেন ওয়ানডেতে নিজের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি।
তৃতীয় উইকেটে বেরিংটনের সঙ্গে ম্যাকলয়েডের ২০৮ রানের জুটি গড়ে দেয় ম্যাচের ভাগ্য। বেরিংটনকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন রশিদ খান। তবে ম্যাচে তার কোনো প্রভাবই পড়েনি। জর্জ মুনজিকে নিয়ে বাকিটা শেষ করেন ম্যাকলয়েড। ম্যাচ সেরা এই ব্যাটসম্যান ১৪৬ বলে ২৩টি চার ও একটি ছক্কায় করেন অপরাজিত ১৫৭ রান।
আফগানিস্তানের অফ স্পিনার মুজিব ২ উইকেট নেন ৪৭ রানে।
বাংলাদেশের রাজিন সালেহকে পেছনে ফেলে সবচেয়ে কম বয়সে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ড গড়া রশিদ টসের সময় ভাগ্যকে পাশে পাননি। ব্যাটিংয়ে পান গোল্ডেন ডাকের স্বাদ। খরুচে বোলিংয়ে এই লেগ স্পিনার ৬৮ রানে নেন এক উইকেট। নেতৃত্বের অভিষেকের দিনটি বাজে কাটল তার।
জিম্বাবুয়ে-নেপাল
বুলাওয়ায়োর কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ব্রেন্ডন টেইলর ও সিকান্দার রাজার সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ৩৮০ রান করে জিম্বাবুয়ে। জবাবে ৮ উইকেটে ২৬৪ রানে থামে নেপাল।
সিফাস জুওয়ায়ো (২৩ বলে ৪১) ও সলোমন মিরের (৫২) ব্যাটে শুরুটা ভালো হয় জিম্বাবুয়ের। থিতু হয়ে ফিরে যান ক্রেইগ আরভিন।
ক্রিজে এসেই নেপালের বোলারদের ওপর চড়াও হওয়া রাজা ৬৬ বলে খেলেন ১২৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। টেইলরের সঙ্গে ১৭৩ রানের জুটি উপহার দেওয়া এই অলরাউন্ডরের ইনিংসে ৯টি ছক্কা ও ৭টি চার।
একশ ছুঁয়ে ফিরেন টেইলর। ৯১ বলে খেলা এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের ১০০ রানের ইনিংসে ৭টি চারের পাশে একটি ছক্কা।
বিশাল রান তাড়ার চেষ্টায় যায়নি নেপালে। সবার অবদানে আড়াইশ ছাড়ায় দলটি। সর্বোচ্চ ৫২ রান আসে শারদ ভেসাকরের ব্যাট থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন আসিফ শেখ।
৪৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের সেরা বোলার অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার রাজা। ব্রায়ান ভিটোরি ২ উইকেট নেন ৪৬ রানে।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দুই গ্রুপে খেলছে পাঁচটি করে দল। ‘এ’ ও ‘বি’ গ্রুপের সেরা তিনটি করে দল নিয়ে হবে সুপার সিক্স পর্ব। এই পর্বের সেরা দুই দল খেলবে ইংল্যান্ডে ২০১৯ বিশ্বকাপে।