তাসমানিয়াকে নিয়ম পাল্টাতে বাধ্য করেছিলেন ৯ বছরের পন্টিং

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অভিষেকের অনেক আগে ক্রিকেটে নিজের ছাপ রেখেছিলেন রিকি পন্টিং। মাত্র ৯ বছর বয়সে তাসমানিয়াকে বাধ্য করেছিলেন তাদের ব্যাটিংয়ের নিয়ম পাল্টাতে। আধুনিক ক্রিকেটের গ্রেটদের একজন সেই আশির দশকে পুরো একটি মৌসুম ছিলেন অপরাজিত।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ২৭ হাজার ৩৬৮ রান করা পন্টিং নজর কেড়েছিলেন শৈশবেই। মাত্র ১২ বছর বয়সে পেয়েছিলেন ব্যাট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কুকাবুরার স্পন্সর।

স্কুল ক্রিকেটে পন্টিং ছিলেন দুর্দান্ত। এতোটাই ভালো ছিলেন যে, তার রাজ্যের নিয়মই পাল্টে ফেলতে হয়। নতুন নিয়ম করা হয় ৩০ রানে বাধ্যতামূলক অবসরের। হেরাল্ড সানকে সেই গল্প শুনিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান এই কিংবদন্তি।

“নয় বছর বয়সে স্কুল ক্রিকেটে আমি নিজের প্রথম মৌসুম শেষ করি একবারও আউট না হয়ে। পরের বছরের শুরুতে তারা নিয়ম বদলে ফেলে যে, ৩০ হলেই অবসর নিতে হবে।”

ক্রিজে সময় কাটাতে খুব ভালোবাসতেন পন্টিং। নিয়ম দিয়ে কি আর সহজে বেধে রাখা যায়। চেষ্টা করতেন পুরো ওভার খেলে শেষে সিঙ্গেল নিয়ে স্ট্রাইক ধরে রাখতে।

“এরপর থেকে আমি ওপেনিংয়ে ব্যাট করতাম। চেষ্টা করতাম যত বেশি সময় বল খেলার এবং খুব বেশি রান না করার। প্রতি ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেল নিতাম যেন স্ট্রাইকে থাকি। অন্য প্রান্তে গিয়ে আম্পায়ারকে জিজ্ঞেস করতাম আমি কত রানে খেলছি। আমি চেষ্টা করতাম ২৯ রানে গিয়ে শেষ বলে চার কিংবা ছক্কা হাঁকানোর।”

১৯৯৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় পন্টিংয়ের। ২০১২ সালে অবসর নেওয়ার আগ পর্যন্ত খেলেন ৫৬০টি আন্তর্জাতক ম্যাচ।