বায়তুল মোকাররম থেকে মিছিল, কাকরাইলে সংঘর্ষ

কুমিল্লায় ‘কোরআন অবমাননার’ কথিত অভিযোগ তুলে ঢাকার বায়তুল মোকাররম থেকে মিছিল বের করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে কয়েকশ লোক।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর ‘মালিবাগ মুসলিম সমাজ’ ব্যানার নিয়ে কয়েকশ লোক এই বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে।

কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড়ের কাছে পুলিশ বাধা দিলে মিছিলকারীরা দুই ভাগ হয়ে যায়। তাদের একটি অংশ বিভিন্ন অলিগলিতে ঢুকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়তে শুরু করে।

পুলিশ তখন বিভিন্ন গলির মুখে অবস্থান নেয় এবং টিয়ারশেল ও শটগানের গুলি ছোড়ে। পুলিশ সেখান থেকে একজনকে ধরে রমনা থানায় নিয়ে যায়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আহাদ বলেন, “বিক্ষোভ মিছিলটি নাইটিঙ্গেল মোড় পর্যন্ত যেতে দেওয়া হয়। কিন্তু তারা সেখানে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।পরে পুলিশ টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এমন শাস্তি হবে ভবিষ্যতে কেউ সাহস পাবে না: প্রধানমন্ত্রী  

কুমিল্লার ঘটনা ‘চক্রান্তকারীর’ কাজ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হেফাজত ‘নজর’ রাখছে, কর্মসূচি নেই  

 

কুমিল্লায় কথিত ‘কোরআন অবমাননার’ প্রতিবাদে বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে থেকে শুক্রবার জুমা নামাজের পর বের হওয়া মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে পুলিশ। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এই সংঘর্ষের সময় গুলিস্তান ও পল্টন এলাকায় গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকে। কাকরাইল ও বিজয়নগরের বিভিন্ন গলিতে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে। প্রধান সড়কে পুলিশের এপিসি ও জলকামানের গাড়িও দেখা যায়। 

দুর্গা পূজার মধ্যে কুমিল্লার একটি মন্দিরে কোরআন অবমাননার কথিত অভিযোগ তুলে বুধবার কয়েকটি মন্দিরে হামলা, ভাংচুর চালানো হয়। এর পর দেশের বিভিন্ন জেলায় মন্দিরে ও পূজা মণ্ডপে হামলা হয়। তা ঠেকাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও বাঁধে, যাতে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে প্রাণহানিও ঘটে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, কুমিল্লার ঘটনার পেছনে কোনো ‘স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্র’ আছে বলেই তারা মনে করছেন।

আর ‘ধর্মকে ব্যবহার করে যারা সহিংসতা’ সৃষ্টি করছে, তাদেরকে অবশ্যই খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।