তালতলীর ফল ঘোষণা হয়নি, এগিয়ে আ.লীগ

বরগুনার তালতলী উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে একটি কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করায় চেয়ারম্যানসহ কোন পদেই ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের শেষ দফায় সোমবার তালতলীর ২৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৮টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে।

জেলা রিটার্নিং অফিসার মো. আলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী ১২শ’-র বেশি ব্যালট সিল দিয়ে বাক্সে ঢোকায়। যাতে কর্মকর্তাদের কোন স্বাক্ষর নেই।

তিনি বলেন, “দুষ্কৃতিকারীদের বাধা না দেয়ায় ওই কেন্দ্রে দায়িত্বরত এসআই মাহবুবকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার কাজী তোফায়েল হোসেন বলেন, “স্থগিত কেন্দ্রের ভোটের চেয়ে বেশি ভোটে এগিয়ে থাকায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হলেও আইনী জটিলতার কারণে তাদেরকে নির্বাচিত ঘোষণা করা যাচ্ছে না।”

ভোটের ফলাফল নির্বাচন কমিশনে জানানো হয়েছে, তাদের সিদ্ধান্তের পরে নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি। 

গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১ হাজার ৮৬২ জন ভোটার রয়েছেন। সেখানে জাল ভোট দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তালতলীতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান মিন্টু ২৮টি কেন্দ্রে ৩২ হাজার ৪০১ ভোট পেয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ফরহাদ হোসেন আক্কাস মৃধা পেয়েছেন ৮ হাজার ৪৭৫ ভোট এবং বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুল মজিদ তালুকদার পেয়েছেন ৮১৫ ভোট।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান ১৩ হাজার ১৭৭ ভোট পেয়েছেন।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদা আক্তার পেয়েছেন ২৭ হাজার ২৪৭ ভোট।