মহামারীর প্রভাব আতর-টুপির বাজারেও

কোরবানির গরু কিংবা রান্নার উপকরণ কেনার ফাঁকে ঈদের নামাজের প্রস্তুতির জন্য শেষ সময়ে অনেকে ঢুঁ মারছেন আতর-টুপির দোকানে।

তবে ব্যবসায়ীরা বলেন, দুই ঈদকে কেন্দ্র করেই মূলত তাদের ব্যবসা। তবে মহামারীর কারণে তাদের ব্যবসা আগের মতো নেই।

ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ মার্কেট, চকবাজার, ইসলামপুর, গুলিস্তান, গাউসিয়াসহ বিভিন্ন বিপণিতে আতরের বাজারে মঙ্গলবার ভিড় দেখা গেছে। আতর-টুপির পাশাপাশি জায়নামাজও বিক্রি হচ্ছে বেশি।

বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেইটের দোকানি জয়নাল আবেদীন বলেন, জেসমিন, রোজ ও দিলরুবা আতরের চাহিদা বেশি।

এছাড়াও আরও নানা ধরনের আতর তার দোকানে রয়েছে। সেগুলোর মান-ভেদে বিভিন্ন রকম।

চকবাজারে এক দোকানি বলেন, দেশি আতরের মধ্যে হাসনাহেনা, রজনীগন্ধা, গোলাপ, বেলি, নাইট ফ্লাওয়ার, জান্নাতুল ফেরদৌসের চাহিদা কিছুটা বেশি।

সোয়ারীঘাট এলাকার এক পাইকারি দোকানি জানান, বিদেশ আতরের বেশিরভাগেই আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে।

ইরানের হাদি, সৌদি আরবের তুনা, আরব আমিরাতের বাসিয়াত, ওমানের খাত্তা ও পাকিস্তানের জারা আতরের বিক্রি বেশি বলে জানান তিনি।

আতরের দোকানে তসবিহও পাওয়া যায়। তবে দোকানিরা বলছেন, কোরবানির ঈদে তসবিহ বিক্রি বাড়লেও করোনাভাইরাস মহামারীর এই সময়ে তা আগের মতো নয়।

বাজারে বিভিন্ন ধরনের টুপি পাওয়া যাচ্ছে। রঙের কাপড় ও সুতা ব্যবহার করা টুপির চাহিদা বেশি রয়েছে।

দেশি জায়নামাজের চেয়ে বিদেশি জায়নামাজের দাম তুলনামূলক বেশি।

দেশি জায়নামাজ ১০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে পাওয়া গেলেও বিদেশি জায়নামাজের দাম হাজারের বেশি।

ঈদের আগের দিন অনেককে ফেরি করে আতর ও সুরমা বিক্রি করতে দেখা গেছে।