স্ত্রী-সন্তানসহ সুপার কিডের শুভেচ্ছা দূত হলেন তামিম

এসএমসি সুপার কিডের শুভেচ্ছা দূত হয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল, তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা ও ছেলে মোহাম্মাদ আরহাম ইকবাল।

মঙ্গলবার এসএমসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, প্রথমবারের মতো কোনো পণ্যের শুভেচ্ছা দূত হয়েছেন আরহাম।

তামিম ইকবালকে উদ্ধৃত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “স্বাস্থ্য সচেতন বাবা-মা হিসাবে আমরা আমাদের বাচ্চার জন্য সবসময় একটি পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু স্ন্যাক্স খুঁজতাম। এখন আমরা নিশ্চিন্তে আমাদের বাচ্চাকে সুপার কিড খাওয়াই।”

সুপার কিড কনফেকশনারির গুণাগুণ বর্ণনা করে আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, ‘’এটা খেতেও দারুণ টেস্টি, তাই আরহাম নিজে থেকেই প্রায় প্রতিদিন সুপার কিড খেতে চায়, আমি আর তামিমও কিন্তু ওর সঙ্গে মজা করে খাই।"

এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের মার্কেটিং বিভাগের মহাব্যবস্থাপক খন্দকার শামীম রহমান বলেন, জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও তার পরিবারকে সুপার কিডের শুভেচ্ছা দূত হিসাবে পেয়ে তারা ’গর্বিত’।

”আরহাম প্রথমবারের মতো কোনো ব্র্যান্ডের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে পর্দায় এসেছে। এটি আমাদের জন্য খুবই আনন্দের একটি বিষয়।”

৪৬ বছর ধরে এসএমসি’র ব্র্যান্ড ওরস্যালাইন-এন দিয়ে লাখ লাখ মানুষের ’জীবন বাঁচানোর’ কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পুষ্টিহীনতা সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ কনফেকশনারি ‘সুপার কিড’ বাজারে এনেছেন তারা।

আমেরিকান ফরমুলেশনে প্রস্তুত সুপার কিড এর প্রতিটি প্যাকেট দৈনিক পুষ্টি চাহিদার ২৭ শতাংশ পূরণ করে এনার্জির একটি অন্যতম উৎস হিসাবে কাজ করে বলে দাবি করেন শামীম।

তিনি আরও বলেন, “প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণে ভরপুর সুপার কিড বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বাচ্চাদেরকে করে আরও শক্তিশালী এবং আরও বুদ্ধিমান। দুধ মালাই ও বাদাম চকলেটের দুটি মজাদার ভিন্ন স্বাদের সুপার কিড আপনাদের নিকটস্থ দোকানে পাওয়া যাচ্ছে।”