কোকা-কোলা বাংলাদেশের নতুন এমডি তা জি তুং

কোমল পানীয় কোম্পানি কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিমিটেডের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন তা জি তুং।

বুধবার কোকা-কোলা বাংলাদেশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানানো হয়।

কোকা-কোলা বাংলাদেশে যোগ দেওয়ার আগে তুং ভিয়েতনামে কোকা-কোলা বেভারেজের মার্কেট অপারেশনস বিভাগের এক্সিকিউটিভ ছিলেন। তারও আগে প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বলেও কাজ করেছেন তিনি।

ভিয়েতনামের হ্যানয় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর অফ সার্জন ডিগ্রি পাওয়া তুং পরে হ্যানয় পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজনেস ম্যানেজমেন্টে ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং ভারতের ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেন।

তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জিডিপির অসাধারণ প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে পৃথিবীকে চমকে দিয়েছে বাংলাদেশ। এ বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কোকা-কোলা বাংলাদেশের মত গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজারে টেকসই ব্যবসা গড়ে তোলার ওপর  জোর দিতে চায়।

“আমাদের পানীয় প্রস্তুতকারী অংশীদার প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল বেভারেজেস প্রাইভেট লিমিটেড (আইবিপিএল) ও আবদুল মোনেম লিমিটেড (এএমএল) এবং অন্যান্য অংশীদারদের সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমরা একযোগে বাংলাদেশের ভোক্তাদের উজ্জীবিত করতে কাজ করে যাব।” 

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণার বরাত দিয়ে কোকা-কোলার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৯ সালে কোকা-কোলা সিস্টেম বাংলাদেশে ‘ভ্যালু অ্যাডেড ইমপ্যাক্ট’ হিসেবে ১২২ কোটি টাকা যোগ করেছে, যা বাংলাদেশের মোট জিডিপির শূন্য দশমিক ১১ শতাংশ। 

ভ্যালু অ্যাডেড ইমপ্যাক্ট হল একটি দেশের সব পরিবার, ব্যবসা ও সরকারের অর্জিত আয়ের যোগফল।

দেশে কোকা-কোলার পণ্য উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২২ হাজারের বেশি মানুষ জড়িত বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। 

কোকা-কোলা বাংলাদশে ব্যবসা করছে পাঁচ দশক ধরে। কোকা-কোলা, ডায়টে কোক, স্প্রাইট, ফান্টা, কিনলে পানি, কিনলে সোডা, কোকা-কোলা জিরো, স্প্রাইট জিরো, থামস আপ কারেন্ট এ কোম্পানিরই পণ্য।