ই-কমার্স সেল পুনর্গঠন

প্রতারণা ও গ্রাহক ঠকানোর ঘটনায় টালমাটাল ই-কমার্স খাতে সুশাসন আনার চেষ্টায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নবগঠিত ইকমার্স সেল পুনর্গঠন করা হয়েছে।

শুরু থেকে মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের অধীনে থাকা এই সেলকে এবার আইআইটি বা আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য অনুবিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আইআইটি সেলের অতিরিক্ত সচিব এএইচএম সফিকুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য জানান।

পুনর্গঠিত ই-কমার্স সেলে সদস্য হিসাবে আছেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ সাঈদ আলী, বাণিজ্য পরামর্শক মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান। আইআইটির অধিশাখার যুগ্ম সচিব  ই-কমার্স সেলের সদস্য সচিব করা হয়েছে।

সরকার ইকমার্স নীতিমালা ২০১৮ প্রণয়ন করার পর এর আলোকে ইকমার্স সেল গঠন করা হয়। তবে ২০১৯ সালের শুরু থেকে ২০২১ সালের অগাস্ট পর্যন্ত এই সেলে একান্ত (ডেডিকেটেড) কোনো কর্মকর্তা ছিলেন না। ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক এই সেলটির দেখভাল করতেন।

সম্প্রতি ই-কমার্সে জালিয়াতি ঠেকাতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যেসব ব্যর্থতার কথা বলা হচ্ছে- তার মধ্যে ই-কমার্স সেলকে সময়মতো শক্তিশালী না করার বিষয়টিও রয়েছে।

বাংলাদেশে গত কয়েক মাস ধরে ই কমার্সে গ্রাহকের প্রতারিত হওয়ার নতুন নতুন ঘটনা প্রকাশ পাচ্ছে। ই-অরেঞ্জ, ধামাকা, ইভ্যালি, কিউকম, আলেশামার্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কোটি কোটি টাকা প্রতারণার শিকার গ্রাহকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।

কয়েকদিন পরপরই এসব প্রতিষ্ঠানের নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কথিত উদ্যোক্তারা ধরা পড়ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর জালে। এরই মধ্যে অন্তত তিনটি প্রতিষ্ঠানের মূল ব্যক্তিরা প্রতারণার মাধ্যমে পাওয়া অর্থ নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন; দেশের ভেতরেই অনেকে গেছেন আত্মগোপনে বলে খবর বেড়িয়েছে।

পুরনো খবর:

ই-কমার্সে তদারকি ও প্রতারিত ভোক্তার সুরক্ষায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি  

ই-কমার্স: বিদ্যমান আইন-কাঠামো পর্যালোচনা হচ্ছে  

সঙ্কট ‘শাপেবর’ হবে সম্ভাবনার ই-কমার্সে?  

ই কমার্স: পণ্য কেনার হিড়িকের পর এখন অভিযোগের পাহাড়  

ই-কমার্স: তখন কান দেয়নি কেউ  

অনলাইনে কেনাকাটা: কোন পথে বাংলাদেশ  

ই-কমার্সের ভাউচার, প্রি-পেমেন্ট নিয়ে উদ্বেগ  

ইভ্যালি: চমক জাগানো উত্থান, পতন গ্রাহক ডুবিয়ে  

‘টাকাটা যে নিয়ে গেল সেটার কী হবে?’