ইংল্যান্ড সফরে উইন্ডিজ দলকে সবুজ সঙ্কেত

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইংল্যান্ড সফরের সম্ভাবনা জোরাল হয়েছে আরও। টেলিকনফারেন্সে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের সভায় বৃহস্পতিবার নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে এই সফর। এখন ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের সরকারগুলোর অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে বোর্ড।

সিরিজটি আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। যেটি শুরু হওয়ার কথা ছিল মূলত ৪ জুন। কিন্তু করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে স্থগিত হয়ে যায় তা। আগামী জুলাইয়ের শুরুতে সিরিজটি শুরু করতে চায় দুই দেশের বোর্ড। খেলা হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে ও জীবাণুমুক্ত পরিবেশে।

কিছুদিন আগে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান নির্বাহী জনি গ্রেভ বলেছিলেন, সফর নিয়ে তার আশা ক্রমেই বাড়ছে। এরপরই এলো বোর্ডের অনুমোদনের ঘোষণা। সফরের সময় জীবাণুমুক্ত পরিবেশ তৈরি করাসহ অন্যান্য বিষয়ে দুই দেশের বোর্ডের চিকিৎসক প্রতিনিধিদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

চলমান পরিস্থিতিতে শুরুতে অবশ্য এই সফর নিয়ে খুব একটা আত্মবিশ্বাসী ছিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর দুই বোর্ডের মধ্যে চলেছে দীর্ঘ আলোচনা। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) নিরাপত্তা পরিকল্পনা জানার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোর্ডের মনোভাব পরিবর্তন হয়েছে।

কোভিড-১৯ পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসা সাপেক্ষে, ক্যারিবিয়ানের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে খেলোয়াড়রা ও কোচরা চ্যার্টার্ড ফ্লাইটে অ্যান্টিগায় পৌঁছাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেখান থেকে পুরো দল একসঙ্গে চ্যার্টার্ড ফ্লাইটে ইংল্যান্ড উড়াল দেবে। ইংল্যান্ড পৌঁছে ক্যারিবিয়ানদের থাকতে হবে কোয়ারেন্টিনে।

সফর চলাকালীন দলের কোনো সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাকে মূল দল থেকে আলাদা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ইংল্যান্ড এরই মধ্যে দাবি করেছে, টেস্ট ম্যাচের জন্য ‘কোভিড-১৯ বদলি’ নামানোর নিয়ম চালু করা হোক।  

প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, ৮ জুলাই থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। নির্দিষ্ট সময় কোয়ারেন্টিনে থাকতে এবং পর্যাপ্ত প্রস্তুতির জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ইংল্যান্ডে যাবে এক মাস আগেই। 

বোর্ডের সভায় আরেকটি সিদ্ধান্তও এসেছে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সাময়িকভাবে খেলোয়াড় ও স্টাফদের বেতন কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে তাদের ৫০ শতাংশ বেতন কাটা হবে। এটা করা হতে পারে তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত।