বিশ্বকাপ জয় হবে জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন: রাবাদা

বিশ্বকাপ মানেই যেন দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য হাহাকারের প্রতিশব্দ। ওয়ানডে হোক বা টি-টোয়েন্টি, এখনও বৈশ্বিক আসরে শিরোপার স্বাদ পায়নি তারা। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঘুচবে দীর্ঘ অপেক্ষা? কাগিসো রাবাদা দারুণ আত্মবিশ্বাসী। এই পেসার বললেন, বিশ্বকাপ জিততে পারলে তা হবে তার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনের একটি।

আবু ধাবিতে আগামী শনিবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে দক্ষিণ আফ্রিকা। সোমবার শিরোপা জয়ের আশাবাদ শোনান রাবাদা।

“এটা (বিশ্বকাপ জয়) হবে খুব বিশেষ কিছু। অবশ্যই, খেলাধুলায় এটা হবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন, (দেশের জন্য) ক্রিকেটে সেরা অর্জনগুলোর একটি। আমরা আশাবাদী, আমরাই সেই প্রজন্ম যারা এটা (ট্রফি) দেশে নিতে পারবে।”

এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালেই খেলতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। আগের ছয় আসরে তাদের সেরা সাফল্য ২০০৯ ও ২০১৪ সালের সেমি-ফাইনালে ওঠা। বাকি চারবার নকআউট পর্বে উঠতে ব্যর্থ হয় তারা। ওয়ানডে বিশ্বকাপেও চারবার সেমি-ফাইনাল খেলে শিরোপা মঞ্চে যাওয়া হয়নি তাদের একবারও। তবে অতীত নিয়ে ভাবছেন না রাবাদা।  

“আমি আসলে এটা নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করি না। আগে যা হয়েছে, তা অতীত। এটা নিয়ে বেশি কথা বলতে চাই না। আমাদের সামনে একটি চ্যালেঞ্জ আছে। অতীতে কেউই ম্যাচ হারতে চায়নি। একই মানসিকতা নিয়ে আমরা এসেছি। এসব নিয়ে কথা বলার চেয়ে খেলাই গুরুত্বপূর্ণ।”

ছন্দে থেকে এবারের বিশ্বকাপে এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দারুণ সব ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া দলটি গত তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজের দুটিতে জেতে দাপটের সঙ্গে। আয়ারল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে তিন ম্যাচের সিরিজে স্বাগতিকদের করে হোয়াটওয়াশ। এর আগে ক্যারিবিয়ানে ৫ ম্যাচের সিরিজ জিতেছিল ৩-২ ব্যবধানে।

রাবাদা অবশ্য বিশ্ব জয়ের স্বাদ পেয়েছেন ছয় বছর আগেই! ২০১৪ সালে আরব আমিরাতেই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতা দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সদস্য ছিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার পেস আক্রমণের বড় অস্ত্র রাবাদা এবার একই সাফল্য পেতে চান সেসব খেলোয়াড়দের সঙ্গে নিয়ে, যারা ‘বিশ্বকে জানাতে চান, কতটা ভালো দল তারা।’

“এই অনুভূতি (যুব বিশ্বকাপ জয়) দারুণ। অবশ্যই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের অনেক ভালো স্মৃতি আছে। সিনিয়র দলের সঙ্গে সেসবের পুনরাবৃত্তি করতে পারা হবে দারুণ।”