অস্ট্রেলিয়া-নিউ জিল্যান্ডের দারুণ লড়াই

কোনো ব্যাটসম্যানই ৪০ পর্যন্ত যেতে পারলেন না। তবে লড়াইটা জমল তুমুল। শেষ দিকের কঠিন সমীকরণ মেলাল অস্ট্রেলিয়া। নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করল অ্যারন ফিঞ্চের দল।

প্রস্তুতি ম্যাচে ফল গুরুত্ব পায় কমই। তবে লড়াইটা যখন তাসমান সাগর পাড়ের দুই দেশের, তখন বাড়তি মাত্রা পায় ফলও। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অফিসিয়াল প্রস্তুতি ম্যাচে সোমবার অস্ট্রেলিয়ার জয় ৩ উইকেটে। ১৫৯ রানের লক্ষ্য তারা ছুঁয়ে ফেলে ১ বল বাকি থাকতে।

শেষ ৭ বলে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ১৯ রান। ১৯তম ওভারের শেষ বলে টিম সাউদিকে ছক্কায় ওড়ান অ্যাশটন অ্যাগার। শেষ ওভারে কাইল জেমিসনের প্রথম বলে চার মারার পর সিঙ্গেল নেন মিচেল স্টার্ক। পরের বলে অ্যাগার দেন ফিরতি ক্যাচ। নেমেই পরপর দুই বলে দুই চারে জয় নিশ্চিত করেন জশ ইংলিস।

ইংল্যান্ডে গত টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট ও দা হানড্রেড-এ দারুণ পারফরম্যান্সে ইংলিস জায়গা করে নেন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ দলে। ইংল্যান্ডে জন্ম ও বেড়ে ওঠা আগ্রাসী এই কিপার-ব্যাটসম্যান তার সামর্থ্যের কিছুটা ঝলক দেখালেন প্রস্তুতি ম্যাচে।

আবু ধাবিতে দুই দল মিলিয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন নিউ জিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তার ৩০ বলের ইনিংস সাজানো ৫টি চারে।

ঝড় তোলার ইঙ্গিত দিয়ে থামেন মার্টিন গাপটিল। ২০ বলে ৪টি চার ও একটি ছক্কায় তিনি করেন ৩০ রান। আরেক ওপেনার ড্যারিল মিচেল মাঠ ছাড়েন ২২ বলে ৩৩ রান করে।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে স্টিভেন স্মিথ ৩০ বলে করেন সর্বোচ্চ ৩৫ রান। আইপিএলে বাজে পারফরম্যান্সে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের একাদশ থেকে বাদ পড়া ডেভিড ওয়ার্নার পান গোল্ডেন ডাক-এর তেতো স্বাদ। ভালো শুরু করে ইনিংস টেনে নিতে পারেননি অ্যারন ফিঞ্চ (১৯ বলে ২৪) ও মিচেল মার্শ (১৫ বলে ২৪)।

নিউ জিল্যান্ডের মূল দুই পেসার সাউদি ও জেমিসন ছিলেন ভীষণ খরুচে। দুই জনই দেন ৪২ রান করে।