‘সাইফ-মেহেদির বোলিং ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট’

ফিফটি করেছেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। চার উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে আলো ছড়িয়েছেন সাকিব আল হাসান। তবে সব ছাপিয়ে ওমানের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জয়ী সাকিবের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে, মেহেদি হাসান ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনের বোলিং।

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে মঙ্গলবার ওমানকে ২৬ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। বাঁচিয়ে রেখেছে সুপার টুয়েলভে খেলার আশা।

সাকিব, মুস্তাফিজ ও তাসকিন আহমেদ শুরুতে ছিলেন বেশ খরুচে। তাদের এলোমেলো বোলিংয়ে দ্রুত এগোচ্ছিল ওমান। তাদের মতো লাইন-লেংথ নিয়ে একদমই ভুগতে হয়নি মেহেদি ও সাইফের। দ্রুত এগিয়ে চলা স্বাগতিকদের রানের গতিতে বাঁধ দেন তারা।

সর্বোচ্চ ১৭টি ডট বল খেলান মুস্তাফিজ, কিন্তু বাঁহাতি এই পেসারই হজম করেন সবচেয়ে বেশি ছক্কা, তিনটি। দেন আটটি ওয়াইড। মেহেদি খেলান ১২টি ডট বল, তার ওভার থেকে আসেনি কোনো বাউন্ডারি। চার ওভারে এই অফ স্পিনার ১৪ রান দিয়ে নেন একটি উইকেট।

পাওয়ার প্লে ও ডেথ ওভারে বোলিং করলেও ১৩টি ডট খেলান পেস বোলিং অলরাউন্ডার সাইফ। তার ওভার থেকে আসে কেবল একটি চার। ১৬ রান দিয়ে তিনি নেন একটি উইকেট।

ওভার প্রতি মেহেদির খরচ কেবল সাড়ে তিন রান, সাইফের চার। বাকি তিন বোলারের কেউ রান দেননি সাতের নিচে। সাকিবের চোখে তাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট এই দুই সতীর্থের পারফরম্যান্স।

“আমার মনে হয়, সাইফ উদ্দিন ও মেহেদি দুই জনই খুব ভালো বোলিং করেছে। ওদেরই আজকের ম্যাচে আমাদের টার্নিং পয়েন্ট বলতে পারেন। ওদের আট ওভারে আমি জানি না, হয়তো ৩০ রানও হয়নি। তাতেই আমরা অনেক এগিয়ে গিয়েছি। অবশ্যই ওদের দুই জনকে কৃতিত্ব দিতে হয়, যেভাবে তারা বোলিং করে যাচ্ছে।”