স্মিথকে নেতৃত্বে ফেরানো ঠিক হয়নি: ওয়ার্ন

অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দলের অধিনায়ক প্যাট কামিন্স হওয়ায় খুশিই হওয়ার কথা শেন ওয়ার্নের। তবে কামিন্সের ডেপুটি হিসেবে স্টিভেন স্মিথের নেতৃত্বে ফেরার বিষয়টি ভালোভাবে নিতে পারছেন না কিংবদন্তি এই লেগ স্পিনার। তার মতে, বল টেম্পারিং কাণ্ডের পর আবারও স্মিথকে নেতৃত্বে ফিরিয়ে আনাটা ভুল সিদ্ধান্ত।

চার বছর আগে এক নারী সহকর্মীকে অশ্লীল বার্তা ও ছবি পাঠানোর খবর পুনরায় আলোচনায় উঠে এলে গত ১৯ নভেম্বর টেস্টের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন টিম পেইন। এরপর নতুন অধিনায়ক প্রশ্নে পেসার কামিন্সকে দায়িত্ব দেওয়া উচিত বলে কদিন আগে মন্তব্য করেন ওয়ার্ন।

গত শুক্রবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) নতুন অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করে কামিন্সের নাম। সহ-অধিনায়ক হন স্মিথ।

২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বল টেম্পারিং কাণ্ডে অস্ট্রেলিয়ার নেতৃত্ব হারান তখনকার অধিনায়ক স্মিথ। সে সময় তাকে ও সহ-অধিনায়ক ওয়ার্নারকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক বছর নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। আর নেতৃত্বে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা পান স্মিথ।

সব নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও পরে স্মিথকে আর নেতৃত্বে ফেরানো হয়নি। এবার সহ-অধিনায়ক হয়ে ফিরলেন অস্ট্রেলিয়াকে ৩৪ টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়া এই ক্রিকেটার। বিষয়টি নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ ওয়ার্ন। শনিবার হেরাল্ড সানে নিজের কলামে বিশ্বকাপজয়ী তারকা লিখেছেন, বল টেম্পারিং কাণ্ডের পর স্মিথকে সহ-অধিনায়ক হিসেবে ফিরতে দেখাটা তিনি মেনে নিতে পারছেন না।

“আমরা সবাই স্টিভ স্মিথকে ভালোবাসি এবং গর্বিত যে সে আবারও বিশ্বের সেরা টেস্ট ব্যাটসম্যান হয়েছে। কিন্তু তাকে অস্ট্রেলিয়ার সহ-অধিনায়ক করাটা উচিত হয়নি।”

“সবাই ভুল করে, আমরা তা জানি এবং আমরা সবাই স্যান্ডপেপার-গেটকে (বল টেম্পারিং কাণ্ড) পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে এসেছি। কিন্তু স্টিভ স্মিথের অধিনায়কত্বেই এটি ঘটেছিল, সব জেনেও সে ঘটনাটি ঘটতে দিয়েছিল। আমি মনে করি, তাকে যে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল তা খুবই কঠিন ছিল। আমি তখনও বলেছিলাম যে সে তার ভুলের জন্য অনেক বড় মূল্য দিয়েছে।”

স্মিথকে সহ-অধিনায়ক করায় অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের নীতি নির্ধারকদের একহাত নিয়েছেন ওয়ার্ন।

“আমার মতে, স্মিথকে দ্বিতীয়বারের মতো অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলার সুযোগ দেওয়ার পর তাকে সহ-অধিনায়ক ঘোষণা করে সিএ সমালোচনার সুযোগ করে দিয়েছে। এখন তাদের উচিত আচরণবিধি বাইরে ফেলে দেওয়া।”

ওয়ার্নের মতে, অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান দলে ওয়ার্নার ‘সেরা ক্রিকেট মস্তিষ্ক’। একই সঙ্গে মার্নাস লাবুশেনকে সহ-অধিনায়ক করার দাবিও তুলেছেন তিনি।