সারাদিন ব্যাট করতে চায় বাংলাদেশ

প্রথম চার ব্যাটসম্যানের বিদায় হয়ে গেছে ঝটপট। প্রতিপক্ষের বোলাররাও তেতে আছে। সেই দলের জন্য পুরো একটি দিন ব্যাট করা ভীষণ কঠিন। সেটিও আবার চতুর্থ দিনের উইকেটে। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সেই চ্যালেঞ্জেই জয়ী দেখতে চান সোহেল ইসলাম। দলের স্পিন বোলিং কোচের বিশ্বাস, সারাদিন ব্যাট করতে পারলেই ফল আসবে পক্ষে।

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের লিড পেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ের শুরুটা বাজে হয় বাংলাদেশের। ২৫ রানে হারায় তারা ৪ উইকেট। শেষ বিকেলে মুশফিকুর রহিম ও ইয়াসির আলি চৌধুরি আর বিপদ বাড়তে দেননি। দিন শেষে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ৩৯।

ম্যাচের প্রথম দিনেও অবস্থা প্রায় একই ছিল বাংলাদেশের। প্রথম ৪ উইকেটের পতন হয় সেদিন ৪৯ রানে। সেখান থেকে মুশফিক ও লিটন দাসের দ্বিশতক রানের জুটিতে সারাদিনে আর কোনো উইকেট হারায়নি দল।

রোববারের খেলা শেষে বাংলাদেশের স্পিন কোচ বললেন, প্রথম ইনিংস থেকে প্রেরণা নিয়েই চতুর্থ দিনে লড়ার রসদ খুঁজে নেবেন ব্যাটসম্যানরা।

“এই ম্যাচের প্রথম ইনিংস যদি দেখেন, আমরা কিন্তু দুইটা জিনিস অলরেডি পুশ করেছি। প্রথম ইনিংসে যখন আমাদের ৫০ রানে ৪ উইকেট ছিল, এরকম অবস্থা থেকে খুব ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। আবার, বোলিংয়ে ওদের বিনা উইকেটে ১৪৫ রান করার পরও আমরা ফিরে এসেছি।”

“ছেলেদের মধ্যে এই মানসিকতা গড়ে উঠছে। এই বিশ্বাসটা ওদের আসছে যে, প্রতিকূল অবস্থা থেকে আমরা বের হতে পারব। কালকে যদি আমাদের ব্যাটিংয়ে ওই মানসিকতা থাকে, সবাই বিশ্বাস করছে যে এখান থেকে ব্যাটিং বড় করতে পারব এবং সারাদিন যদি খেলতে পারি, তাহলে খেলার ফলাফল মনে হয় আমাদের দিকে আসবে।”

তৃতীয় দিনে বল হাতে ৭ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর নায়ক তাইজুল ইসলামও সাহস নিয়ে বড় আশা করতে পারছেন প্রথম ইনিংসের অভিজ্ঞতা থেকেই।

“(৪ উইকেট পড়ে যাওয়া) জিনিসটা হতাশার মতো নিলে হবে না। ক্রিকেট খেলাটা এমন যে কেউ ইচ্ছে করে আউট হতে চায় না। প্রথম ইনিংসেও দেখেছেন যে আমাদের ৪টি তাড়াতাড়ি পড়েছিল, তার পরও ঘুরে দাঁড়িয়েছিলাম। এবারও এমনটিই আশা রাখছি যে আমরা ফিরে আসব।”