এখনও জয়ের আশায় বাংলাদেশ কোচ

শেষ দিনে পাকিস্তানের প্রয়োজন কেবল ৯৩ রান। দুই ওপেনার ফিফটি করে অপরাজিত। ম্যাচ পরিষ্কারভাবেই তাদের দিকে হেলে। তবে এখনই আশা ছাড়ছেন না রাসেল ডমিঙ্গো। বাংলাদেশ কোচ তাকিয়ে আছেন অভাবনীয় কিছুর দিকে।

চট্টগ্রাম টেস্টে চতুর্থ দিন বাংলাদেশকে ১৫৭ রানে গুটিয়ে ২০২ রানের লক্ষ্য পায় পাকিস্তান। আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিকের শুরুর জুটিতে ১০৯ রান তুলে দিন শেষ করেছে তারা।

অবিশ্বাস্য নাটকীয় মোড় ছাড়া এই ম্যাচে বাংলাদেশের বাস্তব কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। তবে ক্রিকেটে এমন ঘটনা তো ঘটেই। এক সেশনে প্রতিপক্ষকে গুটিয়ে দেওয়ার নজির তো বাংলাদেশেরও আছে। হারার আগে তাই হাল ছাড়ছেন না ডমিঙ্গো।

“দেখা যাচ্ছে, (চট্টগ্রাম টেস্টে) সবচেয়ে বেশি উইকেট পড়ছে প্রথম সেশনে। ছেলেরা এই টেস্টে যেভাবে লড়াই করছে তাতে আমি গর্বিত। ওরা দারুণ দৃঢ়তা দেখিয়েছে। পাকিস্তান এখন ম্যাচে বেশ এগিয়ে। ওদের আর ৯৩ রান প্রয়োজন। তাই আমাদের বিশেষ কিছু করতে হবে।”

“টেস্ট ক্রিকেটে যে কোনো কিছুই সম্ভব। এখনও জেতার সম্ভাবনা আছে এই বিশ্বাস নিয়ে কাল আমাদের মাঠে নামতে হবে। যদি প্রথম আধ ঘণ্টা একটা বা দুইটা উইকেট নিতে পারি তাহলে যে কোনো কিছুই সম্ভব।”

ঘুরে দাঁড়ানোর নজির চলতি টেস্টেও দেখিয়েছে বাংলাদেশ। বিনা উইকেটে ১৪৫ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করা পাকিস্তানকে পরদিন ২৮৬ রানে গুটিয়ে দিয়েছিলেন তাইজুল ইসলাম-ইবাদত হোসেনরা।

তাদের নৈপুণ্যে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়ার খুশি মিলিয়ে গিয়েছিল তৃতীয় দিনের শেষ সেশনের ব্যাটিং ব্যার্থতায়। ২৫ রানের মধ্যে ফিরে গিয়েছিলেন প্রথম চার ব্যাটসম্যান। এখনও সেই ব্যাটিংয়ের হতাশা পোড়াচ্ছে বাংলাদেশ কোচকে।

“প্রথম দুই দিনে আমরা ভালো করেছি। তৃতীয় দিনের বেশির ভাগ সময়ও ভালো কাটে। কিন্তু আমরা গতকাল শেষ সেশনে ভালো ব্যাটিং করতে পারিনি। এটা আমাদের খুব চাপে ফেলে দেয়। এটা দেখে খুব হতাশ লেগেছে। আমি মনে করি, এর আগ পর্যন্ত আমরা খুব ভালো টেস্ট ক্রিকেট খেলেছি।”

“আমরা প্রথম ইনিংসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো স্কোর করেছি। আমি মনে করি, স্পিনার ও পেসাররা লিড এনে দিতে খুব ভালো বোলিং করেছে। গতকাল শেষ সেশন আমাদের জন্য ছিল খুব বাজে। এটা আমাদের ম্যাচে প্রবল চাপে ফেলে দেয়।”