জয়ে খুশি হলেও উন্নতির সুযোগ দেখছেন সাকিব

বোলিং পারফরম্যান্স বেশ জমাট হয়েছে। জয়ও ধরা দিয়েছে। প্রত্যাশিত পথে বিপিএল শুরু করতে পেরে খুশি সাকিব আল হাসান। তবে এখনও অনেক জায়গায় উন্নতির সুযোগ দেখছেন ফরচুন বরিশাল অধিনায়ক।

কাগজে-কলমে শক্তিতে এগিয়ে থেকে এবারের বিপিএলের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেছিল বরিশাল। তবে জয়টি খুব সহজে ধরা দেয়নি। তাদেরকে যথেষ্টই বেগ দেয় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। শেষ পর্যন্ত সাকিবদের জয় আসে ৪ উইকেটে।

জয়ের ভিতটা গড়া হয় ম্যাচের প্রথম ভাগে। বোলারদের দারুণ পারফরম্যান্স চট্টগ্রামকে আটকে দেয় ১২৫ রানে। সাকিব নিজে ৪ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। দারুণ বোলিং করেন অন্য দুই স্পিনার জেইক লিন্টট ও নাঈম হাসানও।

তবে বরিশালের দুই পেসার শেষ দিকে ভালো বোলিং করতে পারেননি। আলজারি জোসেফ ৩ উইকেট নিলেও শেষের সময়টায় ছিলেন খরুচে। টি-টোয়েন্টির সফলতম বোলার ডোয়াইন ব্রাভো তো ছিলেন একদমই অকার্যকর। তাদের ওপর ঝড় বইয়ে দিয়েই ২০ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেলেন বেনি হাওয়েল।

পরে রান তাড়ায়ও কয়েক দফায় হোঁচট খেয়ে শঙ্কা জাগিয়ে শেষ পর্যন্ত জিততে পারে বরিশাল। ম্যাচের পর স্বস্তির কথা বললেও সাকিব আক্ষেপ করলেন পারফরম্যান্স আরেকটু পরিশীলিত না হওয়ায়।

“আমরা দারুণ বোলিং করেছি। আরেকটু ভালো বোলিং অবশ্য করতে পারতাম। তবে টস জিতে বোলিং নেওয়ার সময় যদি বলা হতো ওরা ১২৫ রানে আটকে যাবে, তাহলে তা খুশি মনেই মেনে নিতাম।”

“বেশ কিছু জায়গায় উন্নতির সুযোগ আছে আমাদের। তবে শেষ পর্যন্ত জিততে পেরে আমি খুশি।”

রান তাড়ায় ওপেনার সৈকত আলি ৩৯ রানের ইনিংস খেললেও টপ ও মিডল অর্ডারে অন্য কেউ লম্বা সময় থাকতে পারেননি উইকেটে। শেষ দিকে আট নম্বরে নেমে জিয়াউর রহমানের ১২ বলে ১৯ রানের ইনিংস বরিশালকে পৌঁছে দেয় কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায়।

সাকিব এখন সামনে ধরে রাখতে চান এই ধারা।

“টুর্নামেন্ট শুরুর আগে থেকেই বলছি, আমাদের ব্যালান্স ভালো। দলের ব্যাটিং গভীরতা অনেক, বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র বেশ। আজকে সেটা দেখা গেছে। জয় দিয়ে শুরু করতে পারলাম, এখন মোমেন্টাম ধরে রাখার ব্যাপার।”