মুশফিকের পরিকল্পনায় সফল রনি

এমনিতে টি-টোয়েন্টিতে ১৮৪ রান তাড়া করা বিরল কিছু নয়। তবে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে এমন কিছু দেখা যায় কদাচিৎ। মিনিস্টার ঢাকার বিপক্ষে ওই রান তাড়া করেই দারুণ জয় পেয়েছে খুলনা টাইগার্স। জয়ের নায়ক রনি তালুকদার বললেন, অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের বাতলে দেওয়া পথে হেঁটে জয়ের দেখা পেয়েছেন তারা।

বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে ব্যাটসম্যানরা সুবিধা করতে না পারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ১৮৩ রানের পুঁজি নিয়েও জিততে পারেনি ঢাকা। রান তাড়ায় অনেকটা অনায়াসেই জিতে যায় খুলনা।

৭ চার ও ১ ছক্কায় ২৩ বলে ৪৫ রান করে খুলনাকে গতিময় শুরু এনে দেন আন্দ্রে ফ্লেচার। তাকে সঙ্গ দেওয়ার পাশাপাশি মাঝের ওভারগুলোয় দলকে টেনে নেন রনি। তিনি অবশ্য কাজ শেষ করে আসতে পারেননি। আলগা শটে আউট হয়ে যান ৪২ বলে ৬১ করে। তবে শেষের জন্য তো থিসারা পেরেরা ছিলেনই!

লঙ্কান অলরাউন্ডার ১৮ বলে ৩৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে এক ওভার বাকি থাকতেই জিতিয়ে দেন দলকে।

ম্যাচ সেরার পুরস্কার নিতে এসে রনি বললেন, লক্ষ্য বড় হলেও তাদেরকে সাহসটা রাখতে বলেছিলেন অধিনায়ক মুশফিক।

“আমাদের পরিকল্পনা নরম্যাল ছিল। মুশফিক ভাই যে পরিকল্পনা দিয়েছিলেন… শিশির ছিল মাঠে, উইকেটে বল আসছিল, মুশফিক ভাই কাজটা সহজ করে দিয়েছিলেন যে কীভাবে খেলতে হবে। মুশফিক ভাই বলেছিলেন, উইকেটে গিয়ে বলের মেরিট অনুযায়ী খেলবি, দেখবি হয়ে যাবে। সেভাবেই খেলে হয়ে গেছে।”

রনি যখন আউট হন, তখনও বেশ কিছুটা পথ পাড়ি দেওয়ার বাকি ছিল দলের। নিজের ইনিংস থেকে আত্মবিশ্বাস পেলেও শেষটা ভালো করতে না পারায় আক্ষেপ করলেন ঘরোয়া ক্রিকেটের পরীক্ষিত এই পারফরমার।

“প্রথম ম্যাচে রান করতে পারাটা অবশ্যই একজন ব্যাটসম্যানকে আত্মবিশ্বাস দেয়। তবে আমার উচিত ছিল ম্যাচটা শেষ করে আসা। যদি আরও থাকতে পারতাম উইকেটে, ৮০-৮৫ রান করে আসতে পারতাম, তাহলে আমার জন্যও ভালো হতো, দলের জন্যও কাজটা সহজ হতো।”