‘টি-টোয়েন্টিতে এমন উইকেট হলে রান করা কঠিন’

ধুঁকতে ধুঁকতে এক দলের রান ৯৬। সেই রান তাড়ায় আরেক দলের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। বিপিএলে সিলেট সানরাইজার্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ম্যাচে দেখা গেল ব্যাটসম্যানদের এই দুর্দশা। দুই দলের ব্যাটসম্যানদেরই বাজে কিছু শটে আউট দেখা গেছে। তবে ম্যাচের পর সিলেটের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান এনামুল হক কাঠগড়ায় তুললেন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের উইকেটকে।

শনিবার এই ম্যাচে সিলেটকে ৯৬ রানে আটকে রেখেও এক পর্যায়ে হারের শঙ্কা জেগেছিল কুমিল্লার। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ৮ বল বাকি রেখে কোনোরকমে জিততে পারে তারা।

ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার এই মিছিল শুরু হয় এনামুলকে দিয়ে। সিলেটের ওপেনার আউট হন ৯ বলে ৩ রান করে। তার উদ্বোধনী জুটির সঙ্গী কলিন ইনগ্রাম করেন ২০ রান। দুই দল মিলিয়েই ম্যাচের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস সেটি।

ম্যাচের পর এনামুল বললেন, উইকেটের কারণেই ভোগান্তি ছিল দুই দলের ব্যাটসম্যানদের।

“উইকেটটি টি-টোয়েন্টির মতো আমাদের মনে হয়নি। ব্যাটসম্যানদের জন্য ব্যাটিং করা কঠিন এখানে। টার্ন ছিল, ভেজা ছিল। যেটার কারণে ব্যাটসম্যানরা স্বস্তিতে খেলতে পারেনি, এটা সত্যি। দুটি দলই একইভাবে খেলেছে এবং কঠিনই মনে হয়েছে আমার কাছে। ব্যক্তিগতভাবে সবার কাছেই মনে হয়েছে যে, এটা কঠিন উইকেট ছিল। টি-টোয়েন্টিতে এরকম উইকেট থাকলে রান বের করা কঠিন। এই কারণেই আমার মনে হয়েছে রান হয়নি।”

টস হেরে এ দিন আগে ব্যাটিংয়ে নামতে হয় সিলেটকে। এনামুলের মতে, এটাও তাদের হারের কারণগুলির একটি।

“উইকেট সবাই দেখেছে যে প্রত্যাশিত পাইনি আমরা। টসও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা জিতলেও ফিল্ডিং করতাম আগে। সবাই দেখেছেন যে বল কী পরিমাণ টার্ন করছিল, কাট করছিল। একটু কঠিন ছিল তাই। একটু নয়, অনেক খানিই কঠিন ছিল।”

কুমিল্লা অধিনায়ক ইমরুল কায়েস অবশ্য উইকেটের পাশাপাশি কৃতিত্ব দিলেন নিজ দলের বোলারদেরও।

“উইকেট প্রথম ভাগে একটু কঠিন ছিল এবং আমাদের বোলাররা খুব ভালো বোলিং করেছে। উইকেটে অনুযায়ী পরিকল্পনা করে ব্যাটিং করেছে। কম রানের ম্যাচে রান তাড়া সবসময়ই একটু কঠিন হয়, পরিকল্পনা করা কঠিন হয়ে যায়। একটা উইকেট আউট হলে পরের ব্যাটসম্যান চেষ্টা করে ডট খেলার, এতে চাপ বেড়ে যায়।”