শেষ বিকেলে পথ হারিয়ে শঙ্কায় বাংলাদেশ

মিরপুরে সিরিজ নির্ধারণী টেস্টের চতুর্থ দিনের চ্যালেঞ্জে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি বাংলাদেশ।

চতুর্থ দিন

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩৬৫

শ্রীলঙ্কা ১ম ইনিংস: ১৬৫.১ ওভারে ৫০৬

বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ১৩ ওভারে ৩৪/৪

 

আবারও ধ্বংসস্তূপ বাংলাদেশের ব্যাটিং

শ্রীলঙ্কার লিড আরও বড় হতে না দেওয়ার যে স্বস্তি নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ, তা উবে গেল দ্রুতই। ২৩ রানেই শুরুর চার ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ইনিংস হারের শঙ্কায় স্বাগতিকরা।

মিরপুর টেস্টে চতুর্থ দিন লঙ্কানদের প্রথম ইনিংস ৫০৬ রানে থামিয়ে শেষ বেলায় ব্যাটিংয়ে নেমে রীতিমত কাঁপছে বাংলাদেশ। ১৩ ওভার ব্যাটিং করে দিন শেষ করেছে তারা ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৪ রান নিয়ে। ১৪১ রানের লিড নেওয়া সফরকারীদের চেয়ে এখনও পিছিয়ে আছে ১০৭ রানে।

প্রথম ইনিংসে ২৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া দলকে কক্ষপথে ফেরান মুশফিকুর রহিম ও লিটন কুমার দাস। দ্বিতীয় ইনিংসেও এখন তাদের দিকেই তাকিয়ে দল। আরও একবার বিভীষিকার শুরুর পর তারাই এখন উইকেটে।

১৬ বলে ২ চারে ১৪ রান নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন আগের ইনিংসে ১৭৫ রানে অপরাজিত থাকে মুশফিক। ওই ইনিংসে ১৪১ রান করা লিটন খেলছেন ১ রানে।

আউট হওয়া চার ব্যাটসম্যানের একজন কেবল যেতে পেরেছেন দুই অঙ্কে, দুইবার বেঁচে যাওয়া মাহমুদুল হাসান জয়। রানের খাতা খুলতেই পারেননি তামিম ইকবাল ও মুমিনুল হক।

প্রথম ইনিংসের মতো এবারও বাংলাদেশকে নাড়িয়ে দিয়েছেন লঙ্কান দুই পেসারই। কাসুন রাজিথা নিয়েছেন একটি, আসিথা ফার্নান্দোর শিকার দুটি।

শেষ সেশনে দুই দল মিলিয়ে খেলা হয়েছে ২৩.১ বল। এই সময়ে বাংলাদেশের চারটির সঙ্গে পড়েছে শ্রীলঙ্কার পাঁচ উইকেট। মোট ৯ উইকেট পতনের সেশনে রান এসেছে ৮১।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩৬৫

শ্রীলঙ্কা ১ম ইনিংস: ১৬৫.১ ওভারে ৫০৬ (ম্যাথিউস ১৪৫*, চান্দিমাল ১২৪, ডিকভেলা ৯, রমেশ ১০, জয়াবিক্রমা ০, আসিথা ২; খালেদ ২৩-৩-৮৫-০, ইবাদত ৩৮-৪-১৪৮-৪, সাকিব ৪০.১-১১-৯৬-৫, মোসাদ্দেক ১২-১-৩৮-০, তাইজুল ৪৯-১০-১২৪-০, মুমিনুল ৩-০-৭-০)

বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ১৩ ওভারে ৩৪/৪ (জয় ১৫, তামিম ০, শান্ত ২, মুমিনুল ০, মুশফিক ১৪*, লিটন ১*; রাজিথা ৬-৩-১২-১, আসিথা ৬-২-১২-২, জয়াবিক্রমা ১-০-৯-০)

এবার গেলেন জয়

দুইবার বেঁচে গেলেও ইনিংস বড় করতে পারলেন না মাহমুদুল হাসান জয়। তরুণ এই ওপেনার ফিরলেন আসিথা ফার্নান্দোর বাউন্সারে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে।

ব্যাক অব লেংথ থেকে হুট করে লাফিয়ে ওঠা বলে হতবাক হয়ে যান জয়। বুকের উপরের বল ঠেকানোর চেষ্টায় পেতে দেন ব্যাট। কিন্তু ঠিকমতো খেলতে পারেননি। ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল যায় দ্বিতীয় স্লিপে থাকা কুসল মেন্ডিসের হাতে।

৩ চারে ২৭ বলে ১৫ রান করে বিদায় নেন জয়।

প্রথম ইনিংসের মতো আবারও চরম বিপর্যয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং। ২৩ রানেই হারাল তারা ৪ উইকেট। উইকেটে আগের ইনিংসের দুই সেঞ্চুরিয়ান মুশফিকুর রহিম ও লিটন কুমার দাস।

আবারও ব্যর্থ মুমিনুল হক

উইকেটে যেন টিকতেই পারছেন না মুমিনুল হক। ব্যর্থতার বলয় থেকে বের হতেও পারছেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক। আবারও ফিরলেন তিনি দলকে কঠিন বিপদে ঠেলে দিয়ে।

কাসুন রাজিথার অফ স্টাম্পের বাইরের ফুল লেংথ বল ড্রাইভ করেন মুমিনুল। ব্যাটের সামনে থেকে লাফিয়ে ওঠে বল জমা পড়ে কিপারের গ্লাভসে। জোরালো আবেদন করেন শ্রীলঙ্কার ফিল্ডাররা।

আম্পায়ার তাতে সাড়া না দিলে রিভিউ নেন দিমুথ করুনারত্নে। পরে রিপ্লেতে দেখা যায়, মুমিনুলের ব্যাটে হালকা স্পর্শ করেছে বল।

২ বল খেলে শূন্য রানে সাজঘরে ফিরলেন মুমিনুল। টেস্টে এ নিয়ে টানা ৭ ইনিংস দুই অঙ্কে যেতে পারলেন না বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।

বাংলাদেশের রান ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯। উইকেটে মাহমুদুল হাসান জয়ের সঙ্গী প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করে মুশফিকুর রহিম।

অহেতুক রান আউট শান্ত

কিছুক্ষণ আগেই ফিরে গেছেন তামিম ইকবাল। এমনিতেই চাপে দল। অযথা রান আউট হয়ে বাংলাদেশকে আরও বিপদে ফেলে দিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

আসিথা ফার্নান্দোর বল পয়েন্টে আলতো করে খেললেন শান্ত। ফিল্ডার খুব কাছেই থাকায় এখান থেকে রান নেওয়া ঝুঁকির অনেক। সেই কাজটিই করলেন তিনি। দৌড় দিলেন রানের জন্য।

শুরুতে কিছুটা রান নেবেন কি নেবেন না সেই দ্বিধায় খাপিয়েও শেষ পর্যন্ত দৌড় দেন তিনি। এক হাতে বল ধরে নন-স্ট্রাইক প্রান্তে থ্রো করে স্টাম্প ভেঙে দেন প্রাভিন জয়াবিক্রমা।

সময়মতো দাগের ভেতরে ঢুকতে পারেননি শান্ত। ফেরেন ১১ বলে ২ রান করে। বাংলাদেশের রান ২ উইকেটে ১৯। উইকেটে মাহমুদুল হাসান জয়ের সঙ্গী মুমিনুল হক।

তামিমের প্রথম পেয়ার

টেস্ট ক্যারিয়ারে অনাকাঙ্ক্ষিত এক অভিজ্ঞতা হলো তামিম ইকবালের। প্রথমবারের মতো পেয়ারের স্বাদ পেলেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ওপেনার।

আসিথা ফার্নান্দোর বলটি অফ স্টাম্প লাইনে পড়ে অ্যাঙ্গেলে বেরিয়ে যাচ্ছিল। ডিফেন্স করার চেষ্টা করেন তামিম। তার ব্যাটের বাইরের কানা নিয়ে বল যায় তৃতীয় স্লিপে।

তিনবারের চেষ্টায় বল মুঠোয় জমাতে পারেন কুসল মেন্ডিস। প্রথমে বলে পড়ে তার বুকে, তাই কিছুটা ব্যথাও পান তিনি।

প্রথম ইনিংস ৪ বল খেলে রানের খাতা খুলতে পারেননি তামিম। এবার খেললেন ১১ বল।

বেঁচে গেলেন জয়

প্রথম ওভারেই ধাক্কা খেতে পারত বাংলাদেশ। অনেকটা ভাগ্যের জোরে শূন্য রানের তেতো স্বাদ পাওয়া থেকে বেঁচে গেলেন মাহমুদুল হাসান জয়।

কাসুন রাজিথার করা ওভারের শেষ বলটি ছিল অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে। সুইং করে বেরিয়ে যাওয়া বল তাড়া করেন জয়। কিন্তু ব্যাটে লাগাতে পারেননি। বল যায় কিপারের গ্লাভসে।

কিন্তু কিপার নিরোশান ডিকভেলা কিংবা শ্রীলঙ্কার ফিল্ডাররা কেউই বোঝেননি ব্যাট ছুঁয়েছে বল। তাই কেউ আবেদনও করেননি।

পরে রিপ্লেতে দেখা যায়, জয়ের ব্যাট স্পর্শ করেছে বল।

১৪১ রানে এগিয়ে থেকে থামাল শ্রীলঙ্কা

চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞায় দারুণ এক সেঞ্চুরি করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। শতকের স্বাদ পেলেন দিনেশ চান্দিমাল। তাদের দুইজনের দারুণ জুটিতে প্রথম ইনিংসে বিশাল পুঁজি পেল শ্রীলঙ্কা।

মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিন শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংস থেমেছে ৫০৬ রানে। ১৪১ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস ব্যাটিংয়ে নামবে বাংলাদেশ।

ম্যাথিউস ২ ছক্কা ও ১২ চারে ৩৪২ বলে খেলেন ১৪৫ রানের ইনিংস। চান্দিমালের ব্যাট থেকে আসে ২১৯ বলে এক ছক্কা ও ১১ চারে ১২৪ রান। তাদের জুটি ১৯৯ রানের।

ম্যাথিউস-চান্দিমালের জুটি ভাঙার পরই ভেঙে পড়ে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং। শেষ ৪ উইকেট হারায় তারা ২৪ রানে।

শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে রান আউট হন আসিথা ফার্নান্দো। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩৬৫

শ্রীলঙ্কা ১ম ইনিংস: ১৬৫.১ ওভারে ৫০৬ (ম্যাথিউস ১৪৫*, চান্দিমাল ১২৪, ডিকভেলা ৯, রমেশ ১০, জয়াবিক্রমা ০, আসিথা ২; খালেদ ২৩-৩-৮৫-০, ইবাদত ৩৮-৪-১৪৮-৪, সাকিব ৪০.১-১১-৯৬-৫, মোসাদ্দেক ১২-১-৩৮-০, তাইজুল ৪৯-১০-১২৪-০, মুমিনুল ৩-০-৭-০)

৪ বছর পর সাকিবের পাঁচ

লম্বা সময় পর টেস্টে পাঁচ উইকেটের স্বাদ পেলেন সাকিব আল হাসান। মিরপুর টেস্টে প্রাভিন জয়াবিক্রমাকে ফিরিয়ে এই কীর্তি গড়েন বাঁহাতি এই স্পিনার।

সাকিবের ঝুলিয়ে দেওয়া বল ডিফেন্স করেন জয়াবিক্রমা। কিন্তু টার্নের সঙ্গে বাড়তি বাউন্স করা বলটি ব্যাটে খেলতে পারেননি তিনি। গ্লাভসে হালকা ছুঁয়ে বল জমা পড়ে কিপার লিটন দাসের গ্লাভসে।

আম্পায়ার সঙ্গে সঙ্গেই আবেদনে সাড়া দেন। রিভিউ নেননি ব্যাটসম্যানও। ক্যারিয়ারে ১৯তম পাঁচ উইকেটের উল্লাসে মাতেন সাকিব।

প্রায় ৪ বছর পর পাঁচ উইকেট নিলেন সাকিব। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে সবশেষ তার হাতে ধরা দিয়েছিল এই অর্জন।

রানের খাতাই খুলতে পারেননি ৩ বল খেলা জয়াবিক্রমা। শ্রীলঙ্কার রান ৯ উইকেটে ৫০২। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের সঙ্গে শেষ ব্যাটসম্যান আসিথা ফার্নান্দো।

রমেশকে ফেরালেন ইবাদত

তৃতীয় নতুন বল হাতে নিয়ে প্রথম বলই করলেন হাফ ভলি। দারুণ ড্রাইভে কাভার দিয়ে বাউন্ডারিতে পাঠালেন রমেশ মেন্ডিস। দুই বল পর আবারও হজম করলেন চার। তবে শোধ নিয়ে দেরি করলেন না ইবাদত। এলবিডব্লিউ করে ফেরত পাঠালেন রমেশকে।

মিডল-স্টাম্প লাইনে পড়ে হালকা ভেতরে ঢোকা বলের লাইন মিস করেন রমেশ। বল প্যাডে আঘাত করলে জোরালো আবেদন করেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার।

রিভিউ নিয়েও বাঁচেননি রমেশ। ফেরেন ১১ বলে ১০ রান করে। ইবাদত ধরেন নিজের চতুর্থ শিকার।

শ্রীলঙ্কার রান ৮ উইকেটে ৫০১। উইকেটে ম্যাথিউসের সঙ্গে নতুন ব্যাটসম্যান প্রাভিন জয়াবিক্রমা।

তৃতীয় নতুন বল

নতুন বল নেওয়ার সুযোগ পেয়েই তা নিয়ে নিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হক। ১৬১তম ওভার শেষ হতেই সাকিব আল হাসানের হাতে তিনি তুলে দিলেন তৃতীয় নতুন বল।

আবেদন ছিল স্টাম্পিংয়ের, হলেন কট বিহাইন্ড

সাকিব আল হাসানকে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে খেলেন নিরোশান ডিকভেলা। ব্যাটসম্যানের মুভমেন্ট বুঝতে পেরে বল অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে করেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনার।

ঠিকমতো ব্যাটে লাগাতে পারেননি ডিকভেলা। অনেকটা স্লো বল লিটন গ্লাভসে জমিয়ে ভেঙে দেন স্টাম্প। আবেদন করেন স্টাম্পিংয়ের।

নিশ্চিত হতে তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে পাঠান মাঠের আম্পায়ার। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল ব্যাট স্পর্শ করে জমা পড়েছে লিটন দাসের গ্লাভসে। স্টাম্পড নয়, কট বিহাইন্ড আউট হন ডিকভেলা।

এক চারে ৯ বলে ৯ রান করে ফেরেন তিনি। সাকিব ধরেন তার চতুর্থ শিকার।

শ্রীলঙ্কার রান ৭ উইকেটে ২৮২। বাংলাদেশ থেকে তারা এগিয়ে ১১৭ রানে। উইকেটে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের সঙ্গী রমেশ মেন্ডিস।

শেষ রিভিউও হারাল বাংলাদেশ

দ্রুত রান তোলায় মনোযোগ দেওয়া অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে ফেরানোর সুযোগ কাজে লাগাতে চাইল বাংলাদেশ। তাই হয়তো শেষ রিভিউটা নেওয়ার ঝুঁকি নিল তারা। কিন্তু কট বিহাইন্ডের রিভিউ নিয়ে সফল হলো না স্বাগতিকরা।

ইবাদত হোসেনের বাউন্সার পুল করেন ম্যাথিউস। কিন্তু ব্যাটে খেলতে পারেননি। জোরাল আবেদন করেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। তাতে সাড়া দেননি আম্পায়ার।

রিভিউ নেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। রিপ্লেতে দেখা যায়, ব্যাট স্পর্শ না করেই কিপারের গ্লাভসে জমা পড়েছে বল। তখন ১২৬ রানে খেলছিলেন ম্যাথিউস।

চান্দিমালকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙলেন ইবাদত

এক বল আগে চমৎকার পুলে বাউন্ডারি মারলেন দিনেশ চান্দিমাল। একশ স্পর্শ করল শ্রীলঙ্কার লিড। এক বল পর কাভারে তামিম ইকবালের দারুণ ক‍্যাচে বিদায় নিলেন এই অভিজ্ঞ মিডল অর্ডার ব‍্যাটসম‍্যান।

ইবাদত হোসেনের তৃতীয় উইকেটে ভাঙল ৪১৫ বল স্থায়ী ১৯৯ রানের জুটি।

আগের ডেলিভারির তুলনায় ইবাদতের একটু কম গতির ডেলিভারির নিচে যেতে পারেননি চান্দিমাল। যতটা তুলতে চেয়েছিলেন পারেননি, ঝাঁপিয়ে মুঠোয় জমান তামিম।

১৫৭ ওভারে শ্রীলঙ্কার রান ৬ উইকেটে ৪৬৫। লিড ঠিক ১০০। ক্রিজে অ‍্যাঞ্জেলো ম‍্যাথিউসের সঙ্গী নিরোশান ডিকভেলা। তৃতীয় নতুন বল নেওয়ার খুব কাছেই দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ।

আরেকটি হতাশার সেশন বাংলাদেশের

কোনো কিছুতেই যেন কাজ হচ্ছে না। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও দিনেশ চান্দিমালের জুটি ভাঙতেই পারছে না বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের হতাশায় ডুবিয়ে আরেকটি সেশন নিজেদের করে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

চতুর্থ দিনের চা-বিরতিতে যাওয়ার সময় শ্রীলঙ্কার রান ৫ উইকেটে ৪৫৯। তাদের লিড ৯৪ রান।

ম্যাথিউস ও চান্দিমাল দুইজনই সেঞ্চুরিতে পা রাখেন দ্বিতীয় সেশনে। ২ ছক্কা ও ৯ চারে ১২৩ রান নিয়ে খেলছেন ম্যাথিউস। চান্দিমালের রান ১২০, ছক্কা একটি ও চার ১০টি।

নিজেদের সেরা জুটি গড়ে এগিয়ে চলেছেন ম্যাথিউস ও চান্দিমাল। এই দুইজনের আগের সর্বোচ্চ জুটি ছিল ১৮১ রানে, ২০১৭ সালে ভারতের বিপক্ষে। মিরপুরে তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটি ৪০৩ বলে ১৯৩ রানের।

দ্বিতীয় সেশনে খেলা হয়েছে ২৫ ওভার। এই সময়ে ৯০ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কার দুই থিতু ব্যাটসম্যান।

৪ বছর পর চান্দিমালের সেঞ্চুরি

৯১ রান থেকে ইবাদত হোসেনকে টানা দুই চারে ৯৯ রানে পৌঁছান দিনেশ চান্দিমাল। এক বল পর কাভারে আলতো করে ঠেলে সিঙ্গেলের জন্য দৌড় দিতেই দুই হাত উঁচিয়ে ধরেন তিনি। লম্বা সময় পর যে সেঞ্চুরির উষ্ণ ছোঁয়া পেলেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান।

মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিন ১৮১ বলে ক্যারিয়ারের দ্বাদশ সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন চান্দিমাল।

সেঞ্চুরির পথে ৯ চারের সঙ্গে মেরেছেন একটি ছক্কা।

১২ সেঞ্চুরির ৫টিই তিনি করলেন বাংলাদেশের বিপক্ষে ১০ টেস্টে।

প্রায় ৪ বছর পর তিন অঙ্কে পা রাখতে পারলেন চান্দিমাল। তার সবশেষ সেঞ্চুরি ছিল ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ৩২ ইনিংস পর এবার পেলেন তিনি ভুলতে বসা সেই স্বাদ।

ফের রিভিউ বাঁচাল ম্যাথিউসকে

অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের বাধার দেয়াল সরানোর আশা জাগিয়েছিলে মোসাদ্দেক হোসেন। কিন্তু আরও একবার আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে রিভিউ নিয়ে বদলে দিয়ে টিকে গেলেন লঙ্কান ব্যাটসম্যান।

মোসাদ্দেক হোসেনের অফ স্টাম্প লাইনে পড়া বল সুইপ করেন ম্যাথিউস। বল ব্যাটের গা ঘেঁষে প্যাডে আঘাত করলে আবেদন করেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। তাতে আঙুলও তুলে দেন আম্পায়ার।

সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ নেন ম্যাথিউস। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল ব্যাটে স্পর্শ করে লেগেছে প্যাডে। তখন ১০৫ রানে খেলছিলেন তিনি।

এই নিয়ে চতুর্থ দিনে ক্যারিবিয়ান আম্পায়ার জোয়েল উইলসনের তিনটি সিদ্ধান্ত বদলে গেল রিভিউয়ে।

ম্যাথিউসের আরেকটি সেঞ্চুরি

বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সিরিজের আগে একটি সেঞ্চুরিও ছিল না অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের। চলতি সফরে সেই অপূর্ণতা তো ঘোচালেনই, অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করলেন টানা দুই ম্যাচেই।

মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিন ২৭৪ বলে কাঙ্ক্ষিত তিন অঙ্কে পা রাখেন ম্যাথিউস। টেস্ট ক্যারিয়ারে অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যানের এটি ত্রয়োদশ সেঞ্চুরি। শতরানে চার ৭টি, ছক্কা ২টি।

খালেদ আহমেদের বলে বাউন্ডারি মেরে ৮৮ থেকে ৯২ রান হয়েছিল তার। সেখান থেকে সেঞ্চুরি পর্যন্ত যেতে বল লাগে ৩৯টি!

তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ধীরগতির সেঞ্চুরি এটিই। আগেরটি ছিল ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৭২ বলে। সেই ইনিংসে তিনি করেছিলেন ৪৬৮ বলে অপরাজিত ২০০।

চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৯৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।

দ্বিতীয় রিভিউ হারাল বাংলাদেশ

অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও দিনেশ চান্দিমালের প্রতিরোধ ভাঙতে মরিয়া হয়ে দ্বিতীয় রিভিউ হারাল বাংলাদেশ। চান্দিমালের বিপক্ষে এলবিডব্লিউর রিভিউ নিয়ে ব্যর্থ হলো তারা।

সৈয়দ খালেদ আহমেদের ফুল লেংথ বলটি আঘাত হাতে চান্দিমালের প্যাডে। বাংলাদেশের আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। খালি চোখেই অনেকটা পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছিল, মিডল স্টাম্পে পড়া বল বেরিয়ে যাবে লেগ স্টাম্প দিয়ে।

কিন্তু উইকেটের খোঁজে থাকা বাংলাদেশ অধিনায়ক তবুও নিলেন রিভিউ। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল বেরিয়ে যেত লেগ স্টাম্প দিয়ে।

তখন ৭৫ রানে খেলছিলেন চান্দিমাল।

রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন ম্যাথিউস

লাঞ্চের পর দ্বিতীয় ওভারেই বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত সাফল্যটি প্রায় এনেই দিয়েছিলেন সৈয়দ খালেদ আহমেদ। কট বিহাইন্ডের আবেদনে আঙুলও তুলে দেন আম্পায়ার। কিন্তু রিভিউ নিয়ে বেঁচে গেলেন ৯৪ রানে থাকা অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস।

অফ স্টাম্পের বাইরে পড়া বলের বাড়তি বাউন্সে পরাস্ত হন ম্যাথিউস। ডিফেন্স করার চেষ্টায় ব্যাটে খেলতে পারেননি তিনি। ব্যাটের গা ঘেঁষে কিপারের গ্লাভসে বল জমা পড়লে জোরাল আবেদন করেন বাংলাদেশের সবাই।

আম্পায়ার আউটও দেন। রিভিউ নিতে দেরি করেননি ম্যাথিউস। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল লাগেনি ব্যাটে।

শ্রীলঙ্কার দারুণ সেশন

লাঞ্চের আগে একটি উইকেটের আশায় দলের সফলতম বোলার সাকিব আল হাসানের হাতে আরেকবার বল তুলে দিলেন মুমিনুল হক। কিন্তু অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও দিনেশ চান্দিমালের প্রতিরোধ ভাঙতে পারলেন না বাঁহাতি এই স্পিনার। দারুণ ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে হতাশ করে শ্রীলঙ্কাকে লিড প্রথম সেশনেই লিড এনে দিলেন এই দুইজন।

লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার সময় শ্রীলঙ্কার রান ৫ উইকেটে ৩৬৯। স্বাগতিকদের চেয়ে তারা এগিয়ে ৪ রানে।

ম্যাথিউস খেলছেন ২ ছক্কা ও ৬ চারে ৯৩ রানে। তার সঙ্গী চান্দিমালের রান এক ছক্কা ও ৫ চারে ৬১।

ষষ্ঠ উইকেটে এই দুইজনের অবিচ্ছিন্ন জুটি ২৫৩ বলে ১০৩ রানের।

লঙ্কানদের দ্রুত গুটিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে চতুর্থ দিন খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু প্রথম সেশনে হওয়া ৩৩ ওভারে কোনো উইকেট নিতে পারেনি তারা। এই সময় সফরকারীরা রান করেছে ৮৭।

শতরানের জুটিতে শ্রীলঙ্কার লিড

তাইজুল ইসলামের বল ফাইন লেগে খেলে দুই রান নিলেন দিনেশ চান্দিমাল। আর এতেই বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে গেল শ্রীলঙ্কা।

একই সঙ্গে পূর্ণ হলো অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের সঙ্গে চান্দিমালের জুটির শতরানও, ২৪৬ বলে।

সেঞ্চুরির দুয়ারে থাকা ম্যাথিউস খেলছেন ৯৩ রানে। চান্দিমালের রান ৬০। শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩৬৮।

চান্দিমালের পঞ্চাশ

সিরিজের প্রথম টেস্টে ফিফটি করা দিনেশ চান্দিমাল এই স্বাদ পেলেন আরও একবার। মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১১৮ বলে স্পর্শ করলেন পঞ্চাশ।

টেস্ট ক্যারিয়ারে ডানহাতি এই ব্যাটসম্যানের এটি ২২তম অর্ধশত। বাংলাদেশের বিপক্ষে করলেন চতুর্থবার। 

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৬৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন চান্দিমাল।

রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন চান্দিমাল

দলকে উইকেট এনে দিতে নিজেই বল হাতে তুলে নেন মুমিনুল হক। প্রথম ওভারে প্রায় সাফল্য পেয়েই গিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। কিন্তু রিভিউ নিয়ে টিকে যান দিনেশ চান্দিমাল।

পানি-পানের বিরতিতে পর প্রথম ওভারেই আক্রমণে আসেন মুমিনুল। চতুর্থ বলটি অফ স্টাম্পের বাইরে করেন তিনি। তার বাঁহাতি স্পিন পা বাড়িয়ে খেলেন চান্দিমাল। টার্ন করে বেরিয়ে যাওয়া বল ব্যাটের খুব কাছ ঘেঁষে জমা পড়ে কিপারের গ্লাভসে।

জোরালো আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিতে দেরি করেননি চান্দিমাল। রিপ্লেতে দেখা যায়, ব্যাটে স্পর্শ করেনি বল। বেঁচে যান ৪৩ রানে থাকা লঙ্কান ব্যাটসম্যান।

হতাশার প্রথম ঘণ্টা

যে লক্ষ্য নিয়ে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ, প্রথম ঘণ্টায় পূরণ হয়নি তার একবিন্দুও। শ্রীলঙ্কার একটি উইকেটও এখন পর্যন্ত নিতে পারেনি তারা। উল্টো স্বাগতিকদের হতাশ করে দ্রুত রান তুলে নিজেদের লক্ষ্যের দিকে খুব ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা।

চতুর্থ দিনের প্রথম ঘণ্টায় খেলা হয়েছে ১৮ ওভার। এই সময় কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৬ রান তুলেছে সফরকারীরা।

আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যাটিং করে যাচ্ছেন দিনেশ চান্দিমাল ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। সেঞ্চুরিতে চোখ রেখে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৮২ রানে খেলছেন ম্যাথিউস। ফিফটির দুয়ারে থাকা চান্দিমালের রান এক ছক্কা ও চারটি চারে ৪২।

১১৫ ওভার শেষে লঙ্কানদের রান ৫ উইকেটে ৩৩৮। বাংলাদেশ থেকে আর স্রেফ ২৭ রান পিছিয়ে তারা।

ম্যাথিউস-চান্দিমালের জুটির পঞ্চাশ

লিডের পথে দলকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে নিচ্ছেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ও দিনেশ চান্দিমাল। তাদের জুটি এরই মধ্যে স্পর্শ করছে ফিফটি, ১১৫ বল।

শ্রীলঙ্কার ইনিংসে এটি তৃতীয় পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি।

জুটিতে ম্যাথিউসের অবদান ২৫ রান, চান্দিমালের ২৭।

শ্রীলঙ্কার ৩০০

দিনেশ চান্দিমাল ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের জুটিতে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। মোসাদ্দেক হোসেনের করা ১০১তম ওভারেই ৩০০ রান স্পর্শ করল সফরকারীরা, ৬০৬ বলে।

এক ওভারেই শেষ মোসাদ্দেকের বোলিং

লম্বা সময় অপেক্ষার পর বল হাতে পেয়েছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন। তবে তার বোলিং শেষ হয়ে গেল এক ওভারেই। মূলত বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও পেসার ইবাদত হোসেনের প্রান্ত বদল করতেই তাকে বোলিংয়ে এনেছিলেন মুমিনুল হক।

দ্বিতীয় দিন শ্রীলঙ্কার ইনিংসের শুরুর দিকে মোসাদ্দেকের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

নবম ওভারে দুটি চার হজম করেছিলেন অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার। পরের ওভারে ফিরে হজম করেন আরেকটি চার।

এরপর আর তাকে বোলিংয়ে আনেননি অধিনায়ক। তৃতীয় দিন করাননি একটি ওভারও। চতুর্থ দিনে ১০১তম ওভার করতে এসে মোসাদ্দেক দেন ৩ রান।

শ্রীলঙ্কার লক্ষ্য দ্রুত রান, বাংলাদেশের উইকেট

ফিফটি করে অপরাজিত আছেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। তার সঙ্গী অভিজ্ঞ দিনেশ চান্দিমাল। হাতে এখনও ৫ উইকেট। লিড নেওয়ার পথে ভালো অবস্থানেই আছে শ্রীলঙ্কা। চতুর্থ দিন দ্রুত রান তোলায় চোখ রাখবে সফরকারীরা। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ চাইবে দ্রুত উইকেট।

বৃষ্টিবিঘ্নিত তৃতীয় দিন শ্রীলঙ্কা শেষ করেছে ৫ উইকেটে ২৮২ রান নিয়ে। স্বাগতিকদের চেয়ে তার এখনও পিছিয়ে ৮৩ রানে।

চারটি চার ও এক ছক্কায় ১৫৩ বল খেলা ম্যাথিউস অপরাজিত আছেন ৫৮ রান নিয়ে। তার সঙ্গে খেলছেন চান্দিমাল। ২৯ বলে এক চারে তার রান ১০।

বুধবার দিনের খেলা শেষে লঙ্কানদের সহকারী কোচ নাভিদ নওয়াজ শোনালেন তাদের বৃহস্পতিবার দিনের পরিকল্পনা।

“আমাদের লক্ষ্য সেদিকেই (লিড নেওয়া)। তবে এখনও অনেক পরিশ্রম করতে হবে আমাদের। এখনও ৯০-৯৫ (আসলে ৮৩) রান পেছনে আমরা। চতুর্থ দিনের উইকেটে এটা অনেক রান। আমাদের প্রয়োজন, খুব বেশি উইকেট না হারিয়ে আরও একটি সেশন কাটানো। রান সমান করে ফেলার পর ব্যাপারটি হলো, কত দ্রুত আমরা রান তুলতে পারি।”

বৃষ্টির জন‍্য আগের দিনের এক সেশনের বেশি সময়ের খেলা ভেসে যাওয়ায় শেষ দুই দিন খেলা শুরু হবে নির্ধারিত সময়ের আধ ঘণ্টা আগে, সাড়ে নয়টায়।

তৃতীয় দিন শেষে সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩৬৫

শ্রীলঙ্কা ১ম ইনিংস: ৯৭ ওভারে ২৮২/৫ (করুনারত্নে ৮০, রাজিথা ০, ম্যাথিউস ৫৮*, ধনাঞ্জয়া ৫৮, চান্দিমাল ১০*; খালেদ ১৫-১-৬২-০, ইবাদত ২৬-৪-৭৮-২, সাকিব ২৬-৯-৫৯-৩, মোসাদ্দেক ২-০-১৪-০, তাইজুল ২৮-৬-৬৩-০)