৮ বছর আগের মামলা: ৩৫ বিএনপি-জামায়াত কর্মীর বিচার শুরু

চট্টগ্রামে গাছ কেটে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, পুলিশের কাজে বাধাদান ও ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে করা একটি মামলায় আট বছর পর ৩৫ বিএনপি-জামায়াত কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

সোমবার চট্টগ্রামের সপ্তম অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আ স ম শহীদুল্লাহ কায়সারের আদালত অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রুবেল পাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২২ জন জামিনে এবং ১৩ জন আসামি পলাতক রয়েছেন।”  

মামলার আসামিরা হলেন- আবদুল হামিদ, মো. শহিদুল, ইউসুফ উদ্দিন, আবদুস শহিদ, আবুল মুনছুর, মো. সরোয়ার, তৌফিকুল ইসলাম, মো. জামাল, ইউসুফ, মো. দৌলত, আইয়ুব, মো. কাইয়ুম, তাজুল ইসলাম, ইয়াকুব, দিদার আলম, মৌলভী জামাল, মো. সামসুদ্দিন, জাফর ইমাম, জয়নাল আবেদীন, বজলুল কবির, আমিনুল ইসলাম, লোকমান হোসেন, বোরহান উদ্দিন, মো. সাজ্জাদ, শওকত ওসমান, আইয়ুব আনসারী, আবদুস সালাম, এজাহার, কবির আহমদ, নুরুল আলম, সাহাব উদ্দিন, মো. সেলিম, জিয়াউল হক, মো. মমতাজ ও শাহজাহান।

জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী বিএনপি ও জামায়াতের সহিংসতার ওই সময় ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ভোরে ভূজপুর থানার হেঁয়াকো-ফটিকছড়ি সড়কের মির্জারহাট বাজার থেকে দাঁতমারা বাজার পর্যন্ত এলাকায় সড়কে গাছ ফেলে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এসময় হামলা-ভাংচুরের ঘটনাও ঘটে। এ জন্য বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের দায়ি করা হয়।

ভূজপুর থানার এসআই মো. মজিবুর রহমান বাদি হয়ে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ (১) (খ) ধারায় এবং দণ্ডবিধির কয়েকটি ধারায় মামলাটি করেন।

ধংসাত্মক কাজ, মারাত্মক ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সরকারি গাছ কেটে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, পুলিশের কাজে বাধাদান, চুরি ও ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ আনা হয় এই মামলায়।