বিদ্যুতের তারের ফাঁদে আরেকটি হাতির মৃত্যু

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় ধান ক্ষেত থেকে গত ৬ নভেম্বর হাতিটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। বনবিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ধানক্ষেতে লাগানো বিদ্যুতের তারে তড়িতাহত হয়ে হাতিটির মৃত্যু হয়। ফাইল ছবি
চট্টগ্রামে বৈদ্যুতিক তারের ফাঁদ পেতে আরেকটি হাতি হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের লটমনি পাহাড়ে মঙ্গলবার পুরুষ হাতিটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হলেও তা জানাজানি হয় বুধবার সন্ধ্যায়।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, মঙ্গলবার আনুমানিক ২২ বছর বয়েসী হাতিটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। বৈদ্যুতিক শকে হাতিটির মৃত্যু হয়েছে। 

ময়নাতদন্ত শেষে এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এর আগে গত ৬ নভেম্বর সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নে ধান ক্ষেতে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে একটি হাতির মৃত্যু হয়। 

হাতি যেন ক্ষেতের ফসল মাড়িয়ে নষ্ট না করতে পারে, সেজন্য ক্ষেতে বৈদ্যুতিক তারের এই ফাঁদ তৈরি করা যায়।

এরকম তারে জড়িয়ে পাঁচটার মতো হাতি মারা গেছে বলে পরিবেশ বিষয়ক সংসদীয় কমিটির প্রধান সাবেরে হোসেন চৌধুরী সম্প্রতি জানান।

বুনো হাতির মৃত্যু নিয়ে গত সপ্তাহে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয়।

কমিটি বলছে, বৈদ্যুতিক ফাঁদে পড়ে যেসব হাতি মারা গেছে, সেখানে সব জায়গাতেই পল্লী বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ। এই সংযোগ দেওয়ার সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে হবে।

সরকারি হিসাবে, দেশে এখন ২৫০ থেকে ৩০০ হাতি টিকে আছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাতির চলার পথ দখলমুক্ত করতে হবে, সেই সঙ্গে রক্ষা করতে হবে বনের স্বাস্থ্য। না হলে কেবল হাতি নয়, অনেক বন্যপ্রাণীর অস্তিত্বই আর টেকানো যাবে না।

হাতি মারা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হাই কোর্টের নির্দেশ

গোলার ধান ‘খেয়েছে হাতি’, থানায় জিডি

হাতি হত্যা এখন কেন বাড়ছে?

হাতি মারা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হাই কোর্টের নির্দেশ  

কক্সবাজারে বুনো হাতির খণ্ড খণ্ড দেহ উদ্ধার