চট্টগ্রামে জামায়াতের ৪৯ জনকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ

চট্টগ্রামে একটি রেস্তোরাঁ থেকে আটক জামায়াতে ইসলামীর ৪৯ নেতা-কর্মীকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

সোমবার মধ্যরাতে কোতোয়ালি থানা এলাকার টেরিবাজারের আল বয়ান রেস্তোরাঁ থেকে তাদের আটক করা হয়।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) মুজাহিদুল ইসলাম মঙ্গলবার জানান, কোতোয়ালি থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় ৪৯ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তাদের সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশের কোনো স্পষ্ট ভাষ্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশ বলছে, তারা ‘গোপন বৈঠক’ করছিল। কিন্তু বৈঠকের উদ্দেশ্যও পুলিশের কথায় স্পষ্ট নয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রশ্নে পুলিশ কর্মকর্তা মুজাহিদুল বলেন, “হোটেলে বসে তারা গোপন বৈঠক করছিলেন। তারা কোথাও নাশকতার পরিকল্পনা করে এ বৈঠকে বসেছিলেন কি না, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার ৪৯ জনের মধ্যে ১০ জন জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের নেতা ও অর্থের জোগানদাতা। বাকিরা কর্মী ও সমর্থক।

এদের মধ্যে আছেন টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল মনছুর, তাকে জামায়াতের অর্থের জোগানদাতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন-জামায়াতের কোতোয়ালি থানা শাখার আমির ফরিদুল আলম (৪৭), বায়তুল মাল সম্পাদক মো. নুরুল কবির (৬৫), কোতোয়ালি থানা দক্ষিণের দপ্তর সম্পাদক এমদাদ উল্ল্যাহ (৩৪), সদস্য ফরিদ উদ্দিন (৪৪), কোতোয়ালি থানার অন্তর্গত বক্সিরহাট ইউনিটের সম্পাদক সাইফুদ্দীন খালেদ (৩৫), টেরিবাজার ইউনিটের সভাপতি হুমায়ুন কবির (৫০), টেরিবাজার ইউনিট কাটা পাহাড় শাখার সভাপতি রাশেদুল করিম রাশেদ (৩৪), সহ-সভাপতি হাফেজ মো. তাজুল ইসলাম (৩৮), টেরিবাজার ইউনিট ইমাম ম্যানসন শাখার সভাপতি মো. ইসরাফিল (৫০)।