দুর্বৃত্তায়নের ভিত্তি তৈরি করেছে বিএনপি-জামায়াত: নাছির

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের ভিত্তি বিএনপি-জামায়াত জোট তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন।

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে আন্দরকিল্লা চত্বরে আনন্দ শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আ জ ম নাছির বলেন, “১৯৮১ সালের এই দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছিলেন বলেই স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের লুণ্ঠিত মূল্যবোধ ও চেতনা পুনরূদ্ধার হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ভাত ও ভোটের অধিকার। জনগণ মুক্তি পেয়েছে সামরিক স্বৈরাচারের দুঃশাসন থেকে।

“বিএনপি ও জামাত জোট এদেশের জনগণ এবং স্বাধীনতার সার্বভৌমত্বের প্রতিপক্ষ অপশক্তি। এরাই দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে। এরাই দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করেছে।”

ফেরারি তারেক রহমান লন্ডনে বিলাসবহুল জীবন-যাপন করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “যুক্তরাজ্যে তারেক জিয়ার কোনো বৈধ আয় নেই। এই বিলাসিতা সম্ভব হয়েছে তারেক জিয়া দেশের একজন শীর্ষ অর্থ পাচারকারী হিসেবে সেখানে বিশাল সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বলে।

“মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় দোষী সাব্যস্তও হয়েছেন। অবিলম্বে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হলে দেশ আপদমুক্ত হবে।”

নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, “বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ও চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও শাস্তি কার্যকর হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত যারা স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে পুনর্বাসিত করেছে, তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে, তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়নি। এ কারণেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিরাপদ নয়।”

নগর কমিটির প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি নঈম উদ্দীন চৌধুরী, খোরশেদ আলম সুজন ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, উপদেষ্টা সফর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান ও চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য হাসান মাহমুদ শমসের, শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, মশিউর রহমান।

সমাবেশ শেষে একটি আনন্দ র‌্যালি নগরীর আন্দরকিল্লা মোড় থেকে বক্সিরহাট, লালদিঘী, কোতোয়ালী মোড়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জিপিও, নিউ মার্কেট মোড় হয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।