অর্থনীতি জাগাতে হলে ছোট ব্যবসাও ‘বাঁচাতে হবে’

রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় এভারগ্রিন জেন্টস পার্লার অ্যান্ড সেলুনের কর্মী সারোয়ার হোসেন মহামারী শুরুর আগে প্রতিদিন ১২শ থেকে দেড় হাজার টাকা আয় করতেন; এখন তা চারশ টাকাও হয় না।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “অনেক কষ্টে আছি স্যার…, আর চলে না। এখন যা আয় করি, তা দিয়ে বাসা ভাড়াই হয় না। ছেলেটা ক্লাস সেভেনে পড়ে, তার একটা খরচ আছে, মেয়েটা ছোট। চার জনের সংসার কীভাবে চালাই।”

এই সেলুন কর্মীদের ধরাবাঁধা কোনো বেতন নেই, কাজের ওপর আয়। ১০০ টাকার কাজ করলে একজন কর্মী পান ৪০ টাকা, বাকিটা মালিকের। কাস্টমার বকশিস সেটা উপরি পাওনা।

সারোয়ার বলেন, লকডাউনের মধ্যে সেলুন বন্ধই ছিল। পরে খুললেও মানুষ এখন চুল কাটাতে, শেইভ করতে কিংবা ফেশিয়াল করতে খুব একটা যায় না।

“সবাই ভয় করে। আগে আমরা চার জন কাজ করতাম। এখন আমি একাই করি। বাকিরা আসে না। কাজ নেই এসে কী করবে!”

মহামারীর মধ্যেও পেট তো চালাতে হবে, হ্যান্ড গ্লাভস, মুখে মাস্ক ও পিপিই পরে কাজ করছেন ঢাকার এক সেলুনের কর্মীরা।

একই রকম কষ্টের কথা বললেন শেওড়াপাড়া বাজারের মুদি দোকান জগন্নাথ ভ্যারাইটিজ স্টোরের মালিক রিপন পাল।

“আগের মত বেচাকেনা নাইরে দাদা। চার-পাঁচ মাস হয়ে গেল; করোনা যাচ্ছে না। মানুষের কাজ-কাম নাই, আয় নাই, কিনবে কী দিয়ে। আগে দিনে ২৫-৩০ হাজার টাকা বেচতাম। এখন ১০ হাজার টাকাই হয় না। দোকান ভাড়া দিতে হয় প্রতিদিন পাঁচশ টাকা, কীভাবে যে চলি।”

রিপন জানান, তার দোকানের বেশিরভাগ ক্রেতা ছিলেন পোশাক শ্রমিক। কিন্তু ওই এলাকার কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। কর্মীরা গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন। অন্য পেশার অনেক খেটে খাওয়া মানুষও কাজ না থাকায় গ্রামে চলে গেছে। এর প্রভাব সব দোকানেই কমবেশি পড়ছে।

শুধু সারোয়ার-রিপন নয়; বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি এলাকার ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের বাস্তবতার চিত্র এটি।

পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও বড় ধাক্কা দিয়েছে করোনাভাইরাস মহামারী। তাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ছোট ছোট ব্যবসা। বেকার হয়ে পথে বসে গেছেন অনেকে।

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স, রপ্তানি আয়, আমদানি বাড়তে শুরু করলেও মহামারীর ধকল সামলে উঠতে পারছেন না অতি ক্ষুদ্র, ছোট বা মাঝারি ব্যবসার উদ্যোক্তারা।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সব ধরনের ভোগ্যপণ্যের ব্যবসার জন্যই উৎসব একটি বড় উপলক্ষ। কিন্তু মহামারীর কারণে পহেলা বৈশাখে এবার ব্যবসা হয়নি। রোজার ঈদেও সবকিছু বন্ধ ছিল।

সর্বশেষ কোরবানির ঈদে দোকানপাট খোলা থাকলেও গত বছরের বেচাকেনার ১০ শতাংশ এবার হয়নি বলে তার দাবি।

“১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে দেশের ৬০ লাখ অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, যারা নানা ধরনের ব্যবসা করে পেট চালাতেন, তারা এখন পুঁজি ভেঙে চলছেন। অনেকে নিঃস্ব হয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সত্যিই খুব খারাপ অবস্থা।”

আর মুদি দোকান থেকে শুরু করে সারা দেশের ছোটখাটো বিভিন্ন পণ্যের দোকান এবং বিপণি বিতানের ৫৭ লাখ ব্যবসায়ী ‘মুখ থুবড়ে পড়েছেন’ বলে জানান হেলাল উদ্দিন।

“সবচেয়ে বড় বিপদের মধ্যে আছেন এ সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ করা এক কোটির বেশি কর্মচারী ও তাদের পরিবার। দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে বার বার অনুরোধ করার পরও এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য কিছুই করা হয়নি।”

মহামারীর ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকার যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, তা এই শ্রেণির হাতে আসেনি জানিয়ে হেলাল বলেন, “ব্যাংকগুলো ব্যস্ত বড় বড় ব্যসায়ী শিল্পপতিদের নিয়ে, যারা লাখ লাখ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আটকে রেখেছে, ফেরত দিচ্ছে না, খেলাপি হয়ে আছে।”

কিন্তু দেশের অর্থনীতিকে আগের অবস্থায় ফেরাতে চাইলে ছোট ব্যবসায়ীদের প্রতিও সদয় হতে হবে মন্তব্য করে হেলাল উদ্দিন বলেন, “আমি একটা কথা স্পষ্ট করে বলতে চাই, অতি ক্ষুদ্র ব্যবসা ঘুরে না দাঁড়ালে, ছোট-মাঝারি ব্যবসা সচল না হলে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল হবে না। তাই সবার আগে এদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সাহস দিতে হবে; পাশে দাঁড়াতে হবে।”

সব কিছুর পরও মুদি দোকানে মানুষকে যেতেই হয়; সেই মুদিরও ব্যবসা কমেছে

অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুরও এ বিষয়ে হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে একমত।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, বড় ব্যবসায়ীদের এক ব্যবসার ক্ষতি অন্য ব্যবসা দিয়ে পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে, যেটা ছোট ব্যবসায়ীদের থাকে না।

“এই চার-পাঁচ মাসে অতি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা পুঁজি ভেঙে সংসারের খরচ মিটিয়েছেন; সরকারের সহায়তা ছাড়া এরা আর দাঁড়াতে পারবেন না। অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবেন না।”

মহামারীর ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকার যে এক লাখ কোটি টাকার বেশি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, তার অংশ যেন ছোট ব্যবসায়ী এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত পায়, সেটা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান মনসুর।

তিনি বলেন, “আমাদের এখন সবার আগে যে কাজটি করতে হবে, সেটি হল আয়-উপার্জন যেন বাড়ে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা যাতে বাড়ে, সে ব্যবস্থা করতে হবে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।”

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) এক গবেষণা বলছে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে নেমে এসেছে। বছরের তৃতীয় ও শেষ প্রান্তিকে মানুষের আয় কাঙ্ক্ষিত হারে বাড়লে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে। তারপরও বছর শেষে দারিদ্র্যের হার ২৫ শতাংশ ছাড়াতে পারে।

‘পোভার্টি ইন দ্য টাইম অব করোনা: শর্ট টার্ম ইফেকটস অব ইকোনমিক স্লোডাউন অ্যান্ড পলিসি রেসপন্স থ্রু সোস্যাল প্রটেকশন’ শীর্ষক এ গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন বিআইডিএসের গবেষণা পরিচালক বিনায়ক সেন।

গত ২৫ জুন প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, ২০২০ সালের শুরুতে দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ২০ দশমিক ৩ শতাংশ। এর মধ্যে শহরে ১৫ দশমিক ৮ ও গ্রামে ২২ শতাংশ।

চলতি বছর শেষে গ্রামে দারিদ্র্যের হার ২৪ দশমিক ২৩ এবং শহরে ২৭ দশমিক ৫২ শতাংশ হতে পারে বলে সেখানে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে গ্রামের চেয়ে শহরে দারিদ্র্যের হার বাড়বে।

অন্য বছর ঈদ এলে ব্লক প্রিন্টয়ের কাজে ব্যস্ততা বাড়ে কারিগরদের, এবার মহামারীর মধ্যে ব্যবসা কার্যস্ত বন্ধই ছিল।

বিআইডিএসের গবেষণা বলছে, বছর শেষে দেশে চরম দারিদ্র্য থাকবে ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ, যা বছরের শুরুতে ১০ দশমিক ১ শতাংশ ছিল।

দারিদ্র্যের হারের এ পরিবর্তন হিসাব করতে শ্রমিকের আয় কতটুকু আগের অবস্থায় ফিরে আসছে তা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য পরিবর্তিত অবস্থাকেও গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

বলা হয়েছে, বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে যদি শ্রমিকের আয় ৫০ শতাংশ এবং শেষ প্রান্তিকে যদি বাকি ৫০ শতাংশ আয় উদ্ধার করা সম্ভব হয়, তাহলে দেশে দারিদ্র্যের হার ২৫ শতাংশের মধ্যে রাখা যাবে।

আর তা না হলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে, কেননা এরই মধ্যে শহরের শ্রমিকের আয় কমেছে ৮০ শতাংশ এবং গ্রামে ১০ শতাংশ।

বিনায়ক সেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মহামারী আসার আগেই যারা দরিদ্র ছিল, তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে এ ক্ষতি পূরণ করা যাবে না।

“বরাদ্দ বাড়িয়ে লাভও হচ্ছে না। কারণ এই ভাতা ও সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে ভুল মানুষ বাছাই করার প্রবণতা আছে। এ সহায়তা যাদের দরকার, তাদের অনেকেই তালিকায় ঢুকতে পারে না।”

এই গবেষক হিসাব দেন, দেশে সামাজিক নিরাপত্তার বিভিন্ন ভাতা যারা পাচ্ছেন, তাদের মধ্যে সচ্ছল মানুষের হার ৩০ শতাংশ। খাদ্যসহায়তার ক্ষেত্রে তা ৩২ শতাংশ, মাতৃত্বকালীন ভাতার ক্ষেত্রে ৪৪ শতাংশ এবং বৃত্তির ক্ষেত্রে ৩৩ শতাংশ।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে দারিদ্র্যের হার শূন্যে নামিয়ে আনতে হলে আগামী এক দশকে গড়ে ৮ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে বাংলাদেশকে।

“স্বাভাবিক সময়ে হয়ত ৬ বা ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেই এটা অর্জন করা সম্ভব ছিল। কিন্তু কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে এই প্রবৃদ্ধি অর্জন যেমন কঠিন, তেমনি সামনে আরো শক মোকাবেলা করতে হতে পারে। ফলে এসডিজির এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হতে পারে।”

প্রবৃদ্ধি টেকসই করতে হলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সংস্কার এবং শক্তিশালী করার পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত পুনর্গঠন করার ওপর জোর দেন বিনায়ক সেন।

তিনি বলেন, “দারিদ্র্য কতটুকু কমবে বা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে সেটি পুরোপুরি নির্ভর করছে কত দ্রুত গরিব মানুষের কাছে আয় ট্রান্সফার করা যাচ্ছে তার ওপর। সরকারের ট্রান্সফারটা দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে করতে হবে, তা না হলে দরিদ্র মানুষের অবস্থায় পরিবর্তন আনা দুরূহ হবে।”

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে ছোট-বড় মিলিয়ে ৫৭ লাখ দোকান বা বিপণি বিতান আছে। এসব ব্যবসাকেন্দ্রে এক কোটি ২০ লাখ মানুষ কাজ করে, যাদের অধিকাংশের বয়স ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে।

এর বাইরে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে দেশের আনাচে-কানাচে ৬০ লাখ অতি ক্ষুদ ব্যবসায়ী (চা-পান-সিগারেট, সবজি-চানাচুর-বাদাম-ডাব বিক্রেতা এরকম আরও অনেক ছোট ব্যবসায়ী) ব্যবসা করেন। প্রতি পরিবারের তিন জন হিসাবে এই ৬০ লাখ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর উপর ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ নির্ভরশীল।

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, “ধরে নিলাম, যারা বিপণি বিতানের মালিক তারা তাদের এতদিনের ব্যবসার মুনাফা দিয়ে সংসারের খরচ মেটাচ্ছেন। কিন্তু এই সব দোকানের ১ কোটি ২০ লাখ কর্মচারী আর ছোট ব্যবসায়ীদের পরিবারের ১ কোটি ৮০ লাখ- মোট ৩ কোটি মানুষের কী হবে?

“১৭ কোটি মানুষের দেশে ৩ কোটি মানুষই যদি মানববেতর জীবনযাপন করে; কাজ না পায়, কষ্টে থাকে, খেতে না পায়, তাহলে সেই দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে কী করে?”

আহসান মনসুর বলেন, কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে; মহামারী শেষ হবে, তা কেউ বলতে পারে না। খারাপ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে আগামী দিনগুলোতে রেমিটেন্সের ইতিবাচক ধারাও আর থাকবে না। রপ্তানি আয় বাড়নোও কঠিন হবে।

“অভ্যন্তরীণ চাহিদা না বাড়লে আমদানিও বাড়বে না। দাতারা এরই মধ্যে মোটা অংকের ঋণ দিয়েছে, আর খুব বেশি দেবে বলে মনে হয় না। সব মিলিয়ে মানুষের আয়-উপার্জন বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা বৃদ্ধি করতে হবে।”

তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ায় দেশের ভেতরে-গ্রামে-গঞ্জে-শহরে বড় একটি বাজার সৃষ্টি হয়েছিল, আর সে কারণেই দেশ ৮ শতাংশের উপরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির মুখ দেখেছে।

“সত্যিকার অর্থে এই মহামারী থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে হলে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আগে চাঙ্গা করতে হবে। ছোট-মাঝারি ব্যবসাকে সহায়তা দিয়ে দাঁড় করাতে হবে। তাহলেই আমাদের অর্থনীতি সচল হবে।”

আরও পড়ুন

এক ধাক্কায় বেড়ে গেল রপ্তানি আয়  

এক মাসে রপ্তানি বেড়েছে ৮৫%  

মহামারীকালে জুলাই মাসে রেমিটেন্সে রেকর্ড  

আমদানিতে খরা কাটছে