সালমান খানের পিছু ছাড়ছে না হরিণ হত্যা মামলা

ছবি: ইন্সটাগ্রাম থেকে।
আদালত আবার হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বলিউড অভিনেতা সালামন খানকে।

১৯৯৮ সালে ভারতের যোধপুরে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিং চলার সময় দুটি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা করার অভিযোগ ওঠে বলিউড তারকা সালমান খানের বিরুদ্ধে।

বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা ভারতের বন্যপ্রাণী আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

যে কারণে অস্ত্র আইন ও কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার মামলা রুজু হয়। এই মামলায় পাঁচ বছরের জন্য কারাবাসের সাজাও হয় অভিনেতার। ২০১৮ সালে যোধপুর দায়রা আদালত ব্যক্তিগত ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তার জামিন মঞ্জুর করে। দুই রাত জেলে খেটে বেরিয়ে আসেন তিনি। তারপর থেকে জামিনেই রয়েছেন।

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তবে এই সাজাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যোধপুর নগর দায়রা আদালতে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে যতবার শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ততবারই সালমান খান বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে উপস্থিত হননি।

শনিবারেও শুনানির জন্য আদালতে হাজির হওয়ার কথা ছিল বলিউড তারকার। যথারীতি নির্দেশ মেনে উপস্থিত হননি তিনি। যে কারণে ৬ ফেব্রুয়ারি তাকে ফের আদালতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মহামারীর কারণে তিনি আদালতে যেতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন সালমানের আইনজীবী নিশান্ত বোরা। সেই আবেদন মঞ্জুর করেন বিচারপতি দেবেন্দ্র কাচাওয়াহা। সেই সঙ্গে জানিয়ে দেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সালমানকে আদালতে হাজির হতেই হবে।

গত ১ ডিসেম্বর মামলার শুনানির দিনেও অনুপস্থিত ছিলেন ‘দাবাং’ খ্যাত এই অভিনেতা। তখনও কোভিড-১৯ পরিস্থিতিকে সামনে রেখে হাজিরা এড়িয়েছিলেন তিনি। গতকালের ঘটনা মিলিয়ে ২০১৮ সাল থেকে মোট ১৭বার শুনানির দিন আদালতে উপস্থিত হননি সালমান।

অভিযোগ রয়েছে ১৯৯৮ সালে ভারতের যোধপুরে শুটিং চলার সময় নিজেই গাড়ি চালিয়ে শিকারে বেরিয়েছিলেন সালমান খান। সেই গাড়িতে ছিলেন টাবু, সাইফ আলি খান ও সোনালি বেন্দ্রে। গাড়ির মধ্যে থেকেই গুলি করে হরিণ হত্যা করেন সালমান। গুলির আওয়াজ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা দৌড়ে এসে দেখতে পান মৃত হরিণ পড়ে রয়েছে। পাশাপাশি যে জিপসি গাড়িটি সালমান চালাচ্ছিলেন সেটাও দেখেন তারা। সেই গাড়ির পেছনে ধাওয়া করলে, গতি বাড়িয়ে এলাকা থেকে উধাও হয়ে যান তারকারা।