শেখ হাসিনার জন্মদিনে আসছে ‘মুজিব আমার পিতা’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে বড়পর্দায় আসছে অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘মুজিব আমার পিতা’।

শেখ হাসিনার রচনা ‘মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুর্বণজয়ন্তী উপলক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ উদ্যোগে নির্মিত সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন সোহেল মোহাম্মদ রানা।

শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মবার্ষিকীতে মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের স্টার সিনেপ্লেক্সে এ সিনেমার প্রিমিয়ার শো আয়োজন করা হবে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হাছান মাহমুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

সভাপতিত্ব করবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের কাছে বঙ্গবন্ধুর জীবনের গল্প পৌঁছে দেয়া আমাদের দায়িত্ব। আমার মনে হয় ওদেরকে জানানোর জন্য অ্যানিমেশনের চেয়ে ভালো মাধ্যম আর হতে পারে না। একই ভাবে বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলা সম্পর্কে তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে ভালো আর কেউ বলতে পারবে না। এই দুইয়ের যুগলবন্দি করা হয়েছে চলচ্চিত্রটিতে।”

সিনেমাটি তৈরিতে সহযোগিতা করেছে বিএমআইটি সল্যুশনস লিমিটেড এবং প্রোলেন্সার স্টুডিও।

প্রোলেন্সার স্টুডিওর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইব্রাহিম খলিল জানান, ১ অক্টোবর দর্শকদের সামনে আসছে সিনেমাটি।

প্রায় দুই বছর ধরে নির্মাণযজ্ঞ চলেছে এ সিনেমার; চলেছে। এর সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেছেন সিআরআই-এর কো-অর্ডিনেটর তন্ময় আহমেদ। চিত্রনাট্য প্রস্তুতের পর প্রোডাকশনের কাজ শুরু হয় গত বছরের জানুয়ারিতে।

তন্ময় আহমেদ বলেন, “সিনেমাটির মাধ্যমে দেশে অ্যানিমেশনের নতুন মার্কেট তৈরি হচ্ছে। দেশীয় শিল্পীদের সুযোগ করে দিতে পারলে বাংলাদেশেই বিশ্বমানের অ্যানিমেশন সিনেমা তৈরি করা সম্ভব।”

চলচ্চিত্রটির পরিচালক সোহেল মোহাম্মদ রানা বলেন, “আমরা যখন কাজ শুরু করেছিলাম অনেকে বিশ্বাসই করতে পারেননি বাংলাদেশে বসে ফিচার-লেংথ অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র নির্মাণ করা সম্ভব। কিন্তু আমরা বিশ্বাস হারাইনি। এই সিনেমাটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা হলো, এখনই হয়তো বিশ্বমানের অ্যানিমেশন বানানো সম্ভব নয়। তবে আমরা যাত্রা শুরু করেছি। শত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও সেরা কাজ করার চেষ্টা করেছি।

“চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমরা ওয়ার্কশপ করে অ্যানিমেটর তৈরি করেছি। আমি বিশ্বাস করি, সামনে এরাই দেশের অ্যানিমেশন শিল্পের দৃশ্যপট বদলে দেবে। এবং সেই নতুন দিনের সূচনাটা হচ্ছে ‘মুজিব আমার পিতা’ বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়ার মধ্যে দিয়ে।”