জরুরি সময়ে বিনামূল্যে মিলবে ‘জয় বাংলা অক্সিজেন সেবা’

করোনাভাইরাস সঙ্কটের মধ্যে সঙ্কটাপন্ন রোগীদের জন্য জরুরি অক্সিজেন সরবরাহে ‘জয় বাংলা অক্সিজেন সেবা’ চালু করেছেন ছাত্রলীগের তিন নেতা।

ব্যক্তিগত উদ্যোগ, বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আর্থিক সহায়তায় প্রাথমিকভাবে ১২টি অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে এ সেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ডাকসুর সদ্য সাবেক স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী এর উদ্যোক্তা। তার সঙ্গে রয়েছেন ছাত্রলীগের উপ-বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক সবুর খান কলিন্স এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাকসুর সদস্য রফিকুল ইসলাম সবুজ।

রাজধানীর যে কোনো এলাকা থেকে ০১৬২৩০০০১০০, ০১৬৭৭১২৫৭৫৮, ০১৭২৫৩৪৩০৩৮ নম্বরে ফোন করলে তাৎক্ষণিকভাবে রোগীর বাসায় অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তারা।

উদ্যোক্তারা জানাচ্ছেন, এই সেবামূলক কাজে কোনো ফি কিংবা জামানত নেওয়া হবে না। তবে এই সেবা পেতে হলে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। পাশাপাশি সেবা গ্রহণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিলিন্ডার ফেরত দিতে হবে।

সাদ বিন কাদের চৌধুরী শুক্রবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ইতোমধ্যে দুই জন রোগীকে এ সেবা দেওয়া হয়েছে। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এ কার্যক্রম চলবে।"

শুধু করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীই নন, অন্যান্য রোগীর জন্যও অক্সিজেনের প্রয়োজন হলে তারাও বিনামূল্যে জয় বাংলা অক্সিজেন সেবা পাবেন বলে জানান সাদ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ফুসফুস আক্রান্ত হয় বলে অনেক ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে অক্সিজেন সিলিন্ডারের চাহিদা বেড়ে গেছে।

সাদ বলেন, “দাম বেশি হওয়ায় অনেকে তাৎক্ষণিকভাবে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করতে পারছেন না। তাই প্রাথমিক সাপোর্টের জন্য আমরা এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। যেহেতু আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেহেতু আমরা কেবল জরুরি প্রয়োজনে এটা দিতে চাই।”

তিনি জানান, তাদের দেওয়া অক্সিজেন সিলিন্ডারটি সর্বোচ্চ একদিন রাখা যাবে। এর মধ্যে অন্য কোথাও থেকে সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করতে রোগীদের অনুরোধ করবেন তারা।

আরও পড়ুন:

‘৩০ মিনিট’ অক্সিজেন দিয়ে ৮৬০০০ টাকা বিল!  

অক্সিজেন রিফিলে ব্যস্ততা  

অক্সিজেন সিলিন্ডারের চড়া দাম, বিক্রেতাকে চার লাখ টাকা অর্থদণ্ড  

দাম বেড়েছে কয়েক গুণ, তবুও মিলছে না অক্সিজেন