তুতুনের বন্ধু

মাত্র কয়েক ঘণ্টা হলো তুতুনের বাড়িতে এসেছে তিতির। নরম, তুলতুলে। কুচকুচে কালো রং তার। তবে চোখ দুটো মায়াবী।

তুতুন আজ বেশ খুশি আর গর্বিতও বটে। সবার অনেক বন্ধু আছে, কেবল তুতুনের ছাড়া। তাই তুলতুলে ছোট্ট পশুটি খুব সহজেই তুতুনের বন্ধু হয়ে যায়। তার কুটকুট করে গাজর খাওয়া দেখে তুতুন আনন্দে বলে ওঠে- মা দ্যাখো কি সুন্দর খাচ্ছে।

তবে শেষমেষ একটা কাজ হয়েছে এই মহামারীর সময়ে, নতুন বন্ধু পেয়ে তুতুন একটাবার বাড়ির উঠোনেও পা রাখেনি, বাইরে তো দূরের কথা। একদিন পর তুতুন দেখলো তিতিরকে পেয়ে সে খুশি হলেও তিতির তার বন্ধুদের ছেড়ে এসে মোটেই খুশি নয়। প্রথম প্রথম তিতিরের খাওয়া দাওয়া ঠিক থাকলেও পরের দিকে সে প্রায় খাওয়া ছেড়েই দিয়েছে।

তুতুনের মনে ভারি কষ্ট হলো, কারণ করোনাভাইরাসের দৌলতে সে এখন জানে বন্ধুদের থেকে দূরে থাকার মানে।

সারারাত ঘুমোতে পারলো না তুতুন। মাকে প্রশ্ন করলো, মা বন্ধু ছাড়া কি কেউ একা থাকতে পারে? মা বললো, না সোনা। তুতুন বললো, তাহলে তিতিরের জন্য একটা বন্ধু এনে দাও।

তুতুনের কষ্ট অনুভব করে মা পরের দিনই আর একটা তুলতুলে সাদা কালোয় মেশানো রঙের তিতিরের বন্ধু নিয়ে এলো। তুতুন তার নাম দিলো তূর্য। এবার তিতিরের আনন্দে আর ধরে না।

ওদের জন্য বানানো নকল ঘরে দুজনের যে কি খেলা! এসব দেখে তুতুনও ভীষণ খুশি। আজ তুতুন মায়ের সব কথা শুনেছে, ছবি এঁকেছে প্রিয় পশুর আর রচনা লিখেছে, ‘প্রিয় পশু খরগোশ’।

কিডস পাতায় বড়দের সঙ্গে শিশু-কিশোররাও লিখতে পারো। নিজের লেখা ছড়া-কবিতা, ছোটগল্প, ভ্রমণ কাহিনি, মজার অভিজ্ঞতা, আঁকা ছবি, সম্প্রতি পড়া কোনো বই, বিজ্ঞান, চলচ্চিত্র, খেলাধুলা ও নিজ স্কুল-কলেজের সাংস্কৃতিক খবর যতো ইচ্ছে পাঠাও। ঠিকানা kidz@bdnews24.com। সঙ্গে নিজের নাম-ঠিকানা ও ছবি দিতে ভুলো না!