শিশু-কিশোরদের দরকারি যৌন শিক্ষা

নিজের শরীরকে এক্সপ্লোর করা এবং গোপনাঙ্গ ছুঁয়ে দেখা বা মাস্টারবেশন করা জীবনের ভিন্ন ভিন্ন বয়সের বিকাশের একটি দিক। কিন্তু তারপরও সামাজিক বিশ্বাসের কারণে বাবা মা বা অনেক সময় বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিও এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অস্বস্তিবোধ করে থাকেন।

বেশিরভাগ শিশু কৈশোরে আসার আগে কোন না কোনভাবে নিজের শরীরকে এক্সপ্লোর করে, গোপনাঙ্গ ছুঁয়ে দেখে। কৈশোর পরবর্তী সময়ে এ ধরনের আচরণের পরিমাণ তুলনামূলক বাড়ে।

আমেরিকান জার্নাল পেডিয়াট্রিক রিভিউয়ের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ৯০ থেকে ৯৪% ছেলে এবং ৫০ থেকে ৬০% মেয়ে শৈশবে নিজেদের গোপনাঙ্গ ছুঁয়ে দেখেছে, এক্সপ্লোর করেছে।

কেন শিশুরা কম বয়সে যৌন আচরণ করে?

শিশুরা বিভিন্ন ধরনের যৌন আচরণ করে থাকে, যেমন- নিজের গোপনাঙ্গ একাকী বা সবার সামনে ধরা, অন্য শিশুর গোপনাঙ্গ ধরা বা ধরার চেষ্টা করা, একজনের গোপনাঙ্গ অন্য একজনকে দেখানো অথবা কেউ উলঙ্গ থাকা অবস্থায় তার গোপনাঙ্গ দেখার চেষ্টা করা।

শিশুরা সাধারণত অজানাকে জানার আগ্রহ থেকে এসব আচরণ করে থাকে। এছাড়া নতুন জিনিস শেখার আগ্রহ থেকেও এমন আচরণ করে। তারা জানতে চায় কীভাবে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ কাজ করে এবং কীভাবে তার শরীর অন্যদের শরীর থেকে আলাদা।

বড়দের কাছে শিশুদের এ আচরণগুলো যৌন আচরণ, কারণ আমরা বড়দের অভিজ্ঞতার চশমা দিয়ে শিশুটিকে দেখছি। শিশুদের কাছে এ কাজগুলো শুধু অজানাকে জানা। শিশুরা আলু-পেঁয়াজ দিয়েও খেলে, এর মানে এই না যে শিশুটি আলু-পেঁয়াজ চাষ করতে চায় বা বিক্রি করতে চায়। এছাড়া অনেক সময় শিশু যখন না বুঝে এ ধরনের কাজ করে আনন্দ পায় তখন তারা বারবার একই কাজ করতে পারে।

বিভিন্ন বয়সে শিশুর স্বাভাবিক যৌন আচরণ কোনগুলো?

জন্ম থেকে চার বছরের শিশুর আচরণ-

১. এই বয়সের শিশুরা কাপড় ছাড়া থাকতে স্বস্তিবোধ করা

২. তারা নিজেদের গোপনাঙ্গ ছুঁয়ে দেখতে বা ধরতে পছন্দ করা

৩. অনেকেই তাদের পরিচিত ছোট বা বড় মানুষের গোপনাঙ্গ ছুঁয়ে দেখতে চাওয়া

৪. সিগমন্ড ফ্রয়েড বলেছিলেন, এসময় সন্তানরা বাবার গোপনাঙ্গ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী থাকে, বিশেষ করে শিশুর নিজের যদি একই রকম গোপনাঙ্গ না থাকে (মেয়ে সন্তান)

৫. এ বয়সের অনেক শিশুই মেয়েদের গোপনাঙ্গও ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা করা

৬. বড়রা পোশাক পরিবর্তনের সময় বড়দের শরীর দেখার চেষ্টা করা

পাঁচ থেকে নয় বছরের শিশুর আচরণ-

১. এই বয়সের শিশুরা গোসল করার সময় বা টয়লেটে যাওয়ার সময় গোপনীয়তা চায়। সে চায় না অন্য কেউ তাকে দেখুক।

২. অনেক সময় সেক্সুয়্যালিটি নিয়ে আগ্রহ থেকে শিশুরা বিভিন্ন প্রশ্ন করে থাকে। যেমন- শিশু ছেলে না মেয়ে জানতে চাওয়া, শিশু কীভাবে জন্ম নেয় ইত্যাদি নিয়ে আগ্রহ।

দশ থেকে তের বছর বয়সের শিশুর আচরণ-

১. বিভিন্ন যৌন আচরণ সম্পর্কিত শব্দ ব্যবহার করা শেখা

২. ছেলে বা মেয়ের বিষয়ে আগ্রহ তৈরি হওয়া

৩. একাকী মাস্টারবেশন করতে পারা

চৌদ্দ থেকে সতের বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীর আচরণ-

১. এমন ছবি বা ভিডিও দেখা যা তাকে যৌন আনন্দ দেবে

২. বন্ধু বা বান্ধবীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা

৩. সমবয়সী কারও সঙ্গে যৌন আচরণ করা

অনেক সময় গোপনাঙ্গ ছুঁয়ে দেখা, ধরা বা মাস্টারবেশন করার মাধ্যমে শিশু বা কিশোর-কিশোরী নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করে৷ মানসিক চাপ বেশি হলে যেমন পারিবারিক কলহ, বুলিং ইত্যাদিতে এ ধরনের আচরণ বেশি করার সম্ভাবনা থাকে।

কখন শিশুর আচরণ নিয়ে দুঃশ্চিন্তা করবেন?

জন্ম থেকে চার বছর বয়স-

১. বারবার গোপনাঙ্গ ছুঁয়ে দেখা, ধরায় শারীরিক কোন ক্ষতি হওয়া,

২. গোপনাঙ্গ ছুঁয়ে দেখা, ধরা ছাড়াও বড়দের মতো আচরণ করা (স্টিমুলেট করার মতো আচরণ বা ইন্টারকোর্সের মতো আচরণ)

৩. অন্য শিশুকে এই ধরনের কাজে বাধ্য করা

৪. প্রায়ই অন্যের গোপনাঙ্গে হাত দেওয়া

পাঁচ থেকে নয় বছর বয়স-

১. শিশু তার বয়সের চেয়ে বেশ ছোট শিশুর সঙ্গে যৌন আচরণ করলে

২. কোন পশুর সঙ্গে যৌন আচরণ করলে

৩. কোন শিশু ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ওই শিশুর গোপনাঙ্গে হাত দেওয়া বা যৌন আচরণ করা

দশ থেকে তের বছর বয়স-

১. অতিরিক্ত মাস্টারবেশন করা

২. কারও সঙ্গে জোর করে যৌন কাজের চেষ্টা করা

৩. টাকা বা অন্য কোন জিনিসের পরিবর্তনে যৌন কাজ করা

৪. নিজের বা অন্যের শরীর বোঝা যাচ্ছে এমন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া বা অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া

চৌদ্দ থেকে সতের বছর বয়স-

১. যৌন উত্তেজক বা হিংস্র বস্তুর ব্যবহার বা নিষিদ্ধ পর্নোগ্রাফি (শিশু, পশু) দেখা

২. নিজের বয়সের চেয়ে ছোট শিশুর সঙ্গে যৌন আচরণ করা

৩. কারও সাথে জোর করে যৌন কাজের চেষ্টা করা বা বাধ্য করা

কীভাবে সন্তানকে যৌন আচরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারেন-

১. ৩ থেকে ৪ বছরের শিশুরা যেহেতু বুঝতে পারে না কোন কোন আচরণ সবার সামনে করা যাবে না তাই শিশুকে আপনারই বলতে হবে তার কোন কোন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। শুরুতে তাকে শরীরের সঙ্গে সম্পর্কিত কোন একটি আচরণ করা সম্পর্কে বলুন। যেমন- সবার সামনে আঙুল দিয়ে নাক না খোঁচানো। এরপর তাকে একইভাবে বলুন, আমরা সবার সামনে আমাদের গোপনাঙ্গে (নাম উল্লেখ করে) হাত দিবো না। তবে আমরা গোসল করার সময় ভালোভাবে গোপনাঙ্গ পরিষ্কার করবো।

২. সাধারণত, পাঁচ থেকে ১০ বছর বয়সের পর শিশুরা যখন ভালোভাবে সামাজিক নিয়ম বুঝতে ও শিখতে শুরু করে এবং মা-বাবা যখন শিশুকে কোন ধরনের সামাজিক আচরণ গ্রহণযোগ্য ও কোন ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয় তা বুঝিয়ে বলেন তখন শিশুদের এ ধরনের আচরণগুলো কমতে থাকে। এ বয়সের শিশুকে গোপনাঙ্গ ছুঁয়ে দেখা বা ধরতে দেখলে তার সঙ্গে সরাসরি বিষয়টি নিয়ে কথা বলুন।

শিশু যদি তার সমবয়সীদের কাছে থেকে এ বিষয়ে কোন তথ্য পায় তা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকবে। তাই শিশুর সঙ্গে আপনি স্বাভাবিক কণ্ঠে সহজভাবে জানান, ‘শরীরের বিভিন্ন অংশ ছুঁয়ে দেখলে বা ধরলে আমাদের আনন্দ লাগতে পারে’। এরপর শিশুকে আগের ধাপের মতোই আরেকবার মনে করিয়ে দিন সবার সামনে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।

৩. সোশ্যাল স্টোরির মাধ্যমে শিশুর আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখাতে পারেন। সোশ্যাল স্টোরি হলো একটা কনসেপ্ট নিয়ে ছবির মাধ্যমে ছোট একটি গল্প তৈরি করা। সেই গল্পের মাধ্যমে গোপনাঙ্গে হাত দেওয়া বা এ ধরনের কাজ করার সুবিধা এবং অসুবিধা বা উপকারিতা-অপকারিতা তুলে ধরা যেতে পারে। এছাড়া এ ধরনের আচরণে অন্য শিশুরা তার সঙ্গে সামাজিকভাবে মিশতে চাইবে কিনা তা নিয়েও ছোট গল্প তৈরি করে শিশুকে বোঝানো যেতে পারে।

৪. শিশু যখন কিশোর-কিশোরী হয় তখন তারা যৌন আনন্দ পাওয়ার জন্য যৌন আচরণ করে। এসময় তারা এ ধরনের আচরণ সবার সামনে করে না। সাধারণত একাকী থাকা অবস্থায় তারা এ ধরনের আচরণ করে থাকে। কৈশোরে এসে শিশুরা সামাজিক নিয়ম জানে ও বুঝতে পারে কোন ধরনের আচরণ সবার সামনে করা যায় না। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা অনেকেই এ বয়সে সবার সামনে এ ধরনের আচরণ করতে পারে।

সন্তানের কৈশোরকালীন বাবা-মায়ের মূল লক্ষ্য হবে সন্তানকে যৌন আচরণ বিষয়ক রহস্য, দ্বিধা, লজ্জা ইত্যাদি থেকে বের হয়ে আসতে সহায়তা করা। এক্ষেত্রে বাবা-মাকে সন্তানের প্রতি স্নেহশীল হওয়ার পাশাপাশি তার বয়স অনুযায়ী শারীরিক ও চিন্তার পরিবর্তনগুলো বাস্তববাদী হয়ে বোঝার চেষ্টা করতে হবে।এসব ক্ষেত্রে বাবারা ছেলে সন্তানের সঙ্গে এবং মায়েরা মেয়ে সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। সিঙ্গেল প্যারেন্টরা যদি বিপরীত জেন্ডারের হয়ে থাকেন বা কথা বলতে অস্বস্তিবোধ হয় সেক্ষেত্রে পরিবারের অন্য কোন বড় সদস্য যার সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক ভালো সেও সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে পারে।

সন্তানকে জানাতে চেষ্টা করুন তার যে ধরনের অনুভূতি ও চিন্তা হচ্ছে তা বয়স অনুযায়ী স্বাভাবিক। এ ধরনের পরিবর্তন বেড়ে উঠার একটি প্রক্রিয়া। সন্তানকে আরও জানাতে পারেন হঠাৎ পরিবর্তনে ভয় পাওয়া, অস্বস্তিবোধ বা অসহায়বোধ হওয়া স্বাভাবিক। একইসঙ্গে মনে রাখতে বলুন এ ধরনের চিন্তা বারবার হতে দেওয়া ঠিক নয়।

তাকে জানাতে পারেন, এ বয়সে জীবনে আনন্দ পাওয়ার অনেক জায়গা রয়েছে, যেমন- খেলাধুলা, ছবি আঁকা, গল্পের বই পড়া, সামাজিক কাজে সহায়তা করা ও বিভিন্ন ক্লাবে যোগ দেওয়া ইত্যাদি। খেলাধুলাসহ অন্যান্য কাজে জড়িত হলে সন্তান ব্যস্ত থাকবে, পাশাপাশি সন্তানের এনার্জি কোন একটি উদ্দেশ্যমূলক কাজে ব্যয় হবে।

সন্তানকে জানান, এ একই ধরনের পরিবর্তন সবার জীবনেই আসে। তাকে বলুন তার যে কোন জিনিস জানার প্রয়োজনে আপনার সঙ্গে কথা বলতে পারে। সন্তান যদি এ বিষয়ে আপনার সঙ্গে কথা বলতে না চায় তাহলে তাকে জোর করার প্রয়োজন নেই। আর সব সময় মনে রাখবেন, এ বিষয়ে কথা শুরুর আগে তাকে অন্য বিষয়ে কথা বলে গল্পের পরিবেশ তৈরি করে নেবেন।

৫. ছোট শিশু যদি অন্য শিশুর গোপনাঙ্গে জোর করে হাত দেয় বা বড়দের মতো কোন কাজ করে সেক্ষেত্রে শিশুর সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হোন সে কীভাবে এ আচরণ শিখেছে। অনেক সময় শিশুর সঙ্গে অন্য কেউ যৌন আচরণ করতে পারে বা শিশুকে কোন ছবি ভিডিও দেখাতে পারে যার মাধ্যমে শিশু এ ধরনের আচরণ শিখতে পারে৷

৬. অনেক সময় ছোটবেলা থেকে সন্তানরা নিজেদের গোপনাঙ্গ সম্পর্কে প্রশ্ন করলেও বাবা-মা অনেক ভুল তথ্য দিয়ে থাকেন বা সন্তানরা যখন প্রশ্ন করে একটা বাচ্চা কীভাবে পৃথিবীতে এসেছে তখনও বাবা-মা অনেক সময় হাসি দেন বা ভুল তথ্য দেন। এসব ক্ষেত্রে এ তথ্যগুলো বয়স অনুপাতে বাস্তবতার সঙ্গে মিল রেখে শিশুকে ধারণা দিতে হবে। যেমন, বয়সের সঙ্গে যে বাবার নিজের শরীরের ও পরিবর্তন হয়েছে তা সে ছেলে সন্তানকে জানাতে পারে৷

যা করবেন না

১. সন্তান একই ঘরে থাকা অবস্থায় কোন ধরনের শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হবেন না। সন্তান ছোট হলে নিশ্চিত হোন সন্তান ঘুমিয়েছে। সন্তান বড় হলে তাকে ভিন্ন ঘরে থাকতে দিন। পরিবারে অন্য কোন দম্পতি থাকলে তাদেরও এ বিষয়টি জানিয়ে রাখবেন। মনে রাখবেন শিশুরা যা দেখে তা অনুকরণ করতে চায়।

২. ইউটিউব বা গুগল সন্তানের অধীনে পুরোপুরি ছেড়ে দেবেন না। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন যেন সন্তান বয়স উপযোগী কন্টেন্ট দেখে।

৩. সন্তানকে তার গোপনাঙ্গে হাত দিয়ে ধরা অবস্থায় দেখলে উত্তেজিত হয়ে কান্নাকাটি বা চিৎকার করবেন না। সন্তানকে এ বিষয় নিয়ে হেয় করা, অন্যদের সামনে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা বা মারধর করা থেকে বিরত থাকুন।

৪. সন্তানকে ভয় দেখাতে ভুল তথ্য দেবেন না।

লেখক পরিচিতি: অ্যাসিসট্যান্ট এডুকেশনাল সাইকোলজিস্ট, ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সিলিং সাইকোলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এ লেখকের আরও লেখা

শিশুর জন্য ‘কোয়ালিটি টাইম’  

শিশুরা কেন মিথ্যা বলে, কীভাবে সামলাবেন  

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর বাবা-মায়ের মানসিক যত্ন  

শাকসবজিতে শিশুর অনীহা ও করণীয়  

শিশুর দেরিতে কথা বলা, কারণ ও করণীয়  

শিশুর হাঁটা শেখা ও বেবি ওয়াকার নিয়ে কিছু কথা  

কিডস পাতায় বড়দের সঙ্গে শিশু-কিশোররাও লিখতে পারো। নিজের লেখা ছড়া-কবিতা, ছোটগল্প, ভ্রমণকাহিনি, মজার অভিজ্ঞতা, আঁকা ছবি, সম্প্রতি পড়া কোনো বই, বিজ্ঞান, চলচ্চিত্র, খেলাধুলা ও নিজ স্কুল-কলেজের সাংস্কৃতিক খবর যতো ইচ্ছে পাঠাও। ঠিকানা kidz@bdnews24.com। সঙ্গে নিজের নাম-ঠিকানা ও ছবি দিতে ভুলো না!