কার্যকর প্রতিষেধক আসলেও মাস্ক পরতেই হবে

করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে জায়গাটিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রবেশের কথা থাকলেও তা মানতে দেখা যায়নি অধিকাংশ দর্শনার্থীকে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি
করোনাভাইরাসের টিকা আসলেও স্বাস্থ্যবিধি মানা-সহ মাস্ক পরা ছাড়া যাবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশন ডিজিজ’য়ের পরিচালক ড. অ্যান্থনি ফাউচি এভাবেই সবাইকে সাবধান করেন।

তিনি বলেন, “দেশের শতভাগ জনসংখ্যাকে টিকার আওতায় আনা হলেও ভ্যাকসিন শতভাগ কার্যকর হবে না।”

অর্থাৎ করোনাভাইরাসের টিকা আসলেও এই ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির গভর্নর ফিল মার্ফির সঙ্গে ফেইসবুকের মাধ্যমে সরাসরি আলাপকালে এই সাবধান বাণী উচ্চারণ করেন ড. ফাউচি।

সাক্ষাৎকারের সূত্র ধরে সিএনএন জানায়, ড. ফাউচি মনে করেন সাবধানতা অবলম্বন ও স্বাস্থ্যবিধি মানার মতো বিষয়গুলো বাদ দেওয়া দূরদর্শিতার পরিচয় হবে না।

মাস্ক পরার আরেকটি কারণ হিসেবে ড. ফাউচি বলেন, “বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পরার বিষয়ে যথেষ্ট তথ্য রয়েছে।”

“মানে, হাঁচি-কাশির সঙ্গে বেরিয়ে আসা ক্ষুদ্র তরল কণার মাধ্যমে বেশ কিছু সময়ের জন্য ভাইরাসটি বাতাসে ভেসে থাকতে পারে।”

আর সেই কণার সংস্পর্শে এসে সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যায়। যে কারণে ছয় ফিট দূরত্ব রেখে চলা, হাত ধোয়া ও মাস্ক পরাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেন ড. ফাউচি।

আরও পড়ুন

সঠিকভাবে মাস্ক পরার কৌশল  

মাস্ক ব্যবহারে সতর্কতা  

প্রতিবেশী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে করণীয়