মাঝরাতে স্বাস্থ্যকর খাবার

রাত জাগলে খিদা লাগে। আর এই সময় মুখরোচক খাবার খাওয়ার ইচ্ছেও হয়।

আর এই অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে দেহে বাড়ে মেদ। এসময় এলোমেলো খাবার খাওয়া দ্রুত ওজন বাড়ায় কেননা তা হজমের জন্য পর্যাপ্ত সময় পায় না। তাই মাঝরাতে ক্ষুধা লাগলে পুষ্টিকর খাবার নির্বাচন করা জরুরি।

অনেকেরই নানান কারণে রাতের খাবারের পরেও মাঝ রাতে ক্ষুধা পায়। এর পেছনে কাজের চাপ, একঘেয়েমি, মানসিক চাপ বা রাতে তাড়াতাড়ি বা পরিমাণে অল্প খাওয়ার কারণ থাকতে পারে।

মাঝ রাতে খাওয়া যাবে কি, যাবে না তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারতীয় পুষ্টিবিদ ও খাদ্য বিশেষজ্ঞ সাকিনা মুস্তান্সির বলেন, “যদি সঠিকভাবে মাঝ রাতের খাবার নির্বাচন করা হয় তাহলে ওজন বাড়বে না।”

মাঝরাতে খাওয়া যাবে এমন কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কে জানান তিনি।

বেরি-জাতীয় ফল: বেরি আঁশ সমৃদ্ধ খাবার যা অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখে। এতে আছে ম্যাগনেসিয়াম। এই খনিজ স্নায়ু ও পেশিকে সচল রাখতে সহায়তা করে। 

পিনাট বাটার স্যান্ডউইচ: পিনাট বাটারে আছে ট্রিপটোফেন যা মস্তিষ্কে মেলাটোনিনের মাত্রা বাড়ায়। ফলে তন্দ্রাভাব আসে। রুটির কার্বোহাইড্রেিইট ট্রিপ্টোফেনকে আরও সহজলভ্য করে। তাই রাতে ঘুমের আগে পুষ্টিকর নাস্তা হিসেবে পিনাট বাটারের স্যান্ডউইচ হতে পারে ভালো পছন্দ।

শস্যের বিস্কুট: মাঝ রাতে ক্ষুধা লাগলে শস্যের তৈরি মচমচে বিস্কুট বেশ সহজলভ্য ও পুষ্টিকরও। তবে নোনতা বিস্কুট ও পরিমিত পরিমাণে তা খাওয়া উচিত। 

গাজরের হালুয়া : মাঝ রাতে পুষ্টিকর ও কম ক্যালরিবহুল খাবার হিসেবে গাজরের তৈরি হালুয়া খাওয়া যেতে পারে।

বাদাম: আখরোট প্রাকৃতিক মেলাটোনিন ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ। এক মুঠ আখরোট খাওয়া ক্ষুধাভাব কমায় ও তন্দ্রাভাব আনে।

ভাজা শস্য: এগুলো মচমচে ও পুষ্টিকর। এতে ক্যালরির পরিমাণ কম এবং উচ্চ প্রোটিন, আঁশ, ভিটামিন, খনিজ উপাদান থাকায় তা আলুর চিপসের বদলে পুষ্টিকর নাস্তা হিসেবে ভালো পছন্দ।

আরও পড়ুন

মধ্যরাতের আগে না ঘুমিয়ে যে ভুল হচ্ছে  

সুস্বাস্থ্যের জন্য অভ্যাসের পরিবর্তন  

প্রদাহের ঝুঁকি কমায় যেসব পানীয়