গলায় ভাঁজ পড়া এড়াতে

‘কোলাজেন’ বৃদ্ধি করে এরকম প্রসাধনী ব্যবহারে গলায় ভাঁজ পড়ার সম্ভাবনা কমে।

বয়স ত্রিশে পৌঁছানোর পর দেহের কোলাজেন উৎপাদন কমতে থাকে।

কোলাজেন হল দেহের কাঠামোগত প্রোটিন, যা ত্বক প্রাকৃতিকভাবে টানটান রাখার পাশাপাশি অস্থিসংযোগ সুদৃঢ় রাখে। কেবল মুখ নয় সারা দেহের ত্বকেই কোলাজেন সমৃদ্ধ প্রসাধনী ব্যবহার করা প্রয়োজন।

ওয়েলঅ্যান্ডগুড ডটকমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এরকমই মন্তব্য করেন দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার বোর্ড-প্রত্যয়িত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ শার্লি চি।

তিনি বলেন, “কেবল মুখের ত্বকে কোলাজেনের ব্যবহার সীমাবদ্ধ না রেখে বরং ঘাড়ের নিচে ত্বকে ব্যবহার করলেও সমান উপকার পাওয়া যাবে।”

ডা. চি’য়ের মতে, “বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, শরীরে কোলাজেন হ্রাস পেতে শুরু করে। আর ত্বকের নিচের ঘনত্ব কমে যায়। সূর্যালোকে এই প্রক্রিয়া আরও খারাপ হয়। কারণ অতিবেগুনি রশ্মির ফলে কোলাজেন দ্রুত ভেঙে যায়। যে কারণে ত্বকে সূক্ষ্ম রেখা এবং বলিরেখা, কনুই এবং হাঁটুর চারপাশের ত্বকের ফুসকুড়ি দেখা দেয়।”

কোলাজেন সমৃদ্ধ লোশন বা ক্রিম নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকে কোলাজেনের মাত্রা বাড়াতে পারে এবং সূক্ষ্ম রেখা এবং ত্বকের কুচকানোভাব কমে যায়।

ব্যাখ্যা করে ডা. চি বলেন, “কোলাজেন উৎপাদনকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করতে পারে এমন সেরা উপাদান হল রেটিনয়েড। এছাড়াও আলফা-হাইড্রক্সি অ্যাসিড এবং বিটা-হাইড্রক্সি অ্যাসিড ব্যবহার করা যেতে পারে, যা অভ্যন্তরীণ কোষের কার্যক্রমকে নির্দেশ করে। ফলে কোষ ভাবে যে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তারা তা পূরণের জন্য সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজস্ব কোলাজেন তৈরি করতে সহায়তা করে।”

এছাড়াও পেপটাইডস খুব ভালো বিকল্প হিসেবে কাজ করে।

কোলাজেন বৃদ্ধিকারী প্রসাধনী ব্যবহারের পাশাপাশি দেহে থাকা কোলাজেনের সুরক্ষায় এসপিএফ সমৃদ্ধ প্রসাধনী ব্যবহার করা আবশ্যক।  

ডা, চি পরামর্শ দেন, “নিয়মিত গলা, ঘাড় ও হাতেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। দেহের কোলাজেনের ভাঙন এড়াতে নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উপকারী।”

ছবির মডেল: হৃদিমা মল্লিক। সাজসজ্জা: আহান রহমান। ছবি: কেএ রহমান। সৌজন্যে- স্টুডিও ইমাজিনইট।

আরও পড়ুন

যে কারণে প্রসাধনীর কার্যকারিতা হারায়  

রূপচর্চায় যে উপাদানগুলো মেশানো ঠিক নয়  

ত্বক থাকুক বলিরেখা মুক্ত