ভারতে টানা পাঁচ দিন ধরে দৈনিক শনাক্ত ৩ লাখের উপরে

ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে একটি শিশুর সোয়াব সংগ্রহ করছেন একজন স্বাস্থ্য কর্মী। ছবি: রয়টার্স
করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের দাপটের মধ্যে ভারতে টানা পঞ্চম দিনের মতো তিন লাখেরও বেশি কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যে দেখা গেছে, সোমবার সকাল থেকে পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে ৩ লাখ ৬ হাজার জনের শরীরে কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়েছে, এ সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে ৮ শতাংশ কম।

নতুন আক্রান্তদের নিয়ে ভারতে মোট রোগীর সংখ্যা ৩ কোটি ৯৫ লাখে দাঁড়িয়েছে। শনাক্ত রোগীর সংখ্যায় দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের পর বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে আছে।

দেশটিতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২২ লাখ ৪৯ হাজার ৩৩৫ জন এবং সুস্থ হওয়া রোগীর হার ৯৩ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

এদিন কর্নাটকে সবচেয়ে বেশি ৫০ হাজার ২১০ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এরপর মহারাষ্ট্রে শনাক্ত হয়েছে ৪০ হাজার ৮০৫ জন রোগী, তামিল নাড়ুতে ৩০ হাজার ৫৮০ জন এবং দিল্লিতে ৯ হাজার ১৯৭ জন।

ভারতের পূর্ণবয়স্ক জনসংখ্যার অন্তত ৭২ শতাংশ টিকার পূর্ণ ডোজ পেয়েছে আর ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুদের প্রায় ৫২ শতাংশ করোনাভাইরাস টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে দেশটিতে আরও ৪৩৯ জন কোভিড রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি মহামারীতে দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৮৪৮ জনে দাঁড়িয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারীর এবারের ঢেউয়ে যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের অন্তত ৬০ শতাংশ আংশিক টিকা নেওয়া বা সম্পূর্ণ টিকাবিহীন ছিল বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ভারতে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট এখন সামাজিক সংক্রমণের পর্যায়ে আছে আর কয়েকটি প্রধান শহরে প্রভাব বিস্তার করায় সেখানে রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনে আবির্ভূত হওয়ার পর থেকে করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী অন্তত ৫৫ লাখ ৭২ হাজার ২২৪ জনের প্রাণ নিয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি ৮ লাখ ৬০ হাজার ২৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, এরপর ব্রাজিলে ৬,২২২০৫ জনের, ভারতে ৪,৮৯৮৪৮ জনের এবং রাশিয়ায় ৩,২৪৭৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।