পরিসংখ্যানে আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া ম্যাচ

ছন্দে থাকা আর্জেন্টিনাকে আটকে দিতে ম্যাচের শুরু থেকেই শারীরিক ফুটবলের প্রদর্শনীতে ব্যস্ত ছিল কলম্বিয়া। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তাতে যোগ দেয় লিওনেল স্কালোনির দলও। ফাউল ও হলুদ কার্ডের রেকর্ড গড়া ম্যাচটি ৯০ মিনিটে শেষ হয় সমতায়। টাইব্রেকারে দুই বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ত্রাতা ছিলেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস। তিনটি শট ঠেকিয়ে দলকে তিনি নিয়ে যান ফাইনালে।

ব্রাসিলিয়ার মানে গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ ১-১ ড্র হয়। টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জেতে আর্জেন্টিনা।

আগামী রোববার রিও দে জেনেইরোর মারাকানা স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচটিতে ব্যক্তিগত এবং দলগত কিছু পরিসংখ্যান তুলে ধরা হলো বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর পাঠকদের জন্য।

>> কোপা আমেরিকায় তৃতীয়বারের মত আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়ার ম্যাচ গড়াল টাইব্রেকারে। প্রতিবারই জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। ১৯৯৩ আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে সেমি-ফাইনালে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে হারিয়েছিল তারা।

>> লিওনেল স্কালোনির কোচিংয়ে কলম্বিয়ার মুখোমুখি হওয়া চার ম্যাচের কোনটিতেই ৯০ মিনিটে জয়ের দেখা পায়নি আর্জেন্টিনা (৩ ড্র, ১ হার)।

>> নিরপেক্ষ ভেন্যুতে কলম্বিয়ার বিপক্ষে সবশেষ ১০ ম্যাচে দুই বার জয়ের দেখা পেয়েছে আর্জেন্টিনা (৫ ড্র, ৩ হার)।

>> চলতি আসরে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪৭টি ফাউল হয়েছে এই ম্যাচে, কলম্বিয়া করেছে ২৭টি এবং আর্জেন্টিনা ২০টি। দুইয়ে আছে কলম্বিয়া ও একুয়েডরের মধ্যকার টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ (৩৫টি ফাউল)।

>> এক ম্যাচে হলুদ কার্ডের সংখ্যা হিসেবে ম্যাচটি মহাদেশীয় প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সর্বোচ্চ (১০টি)। কলম্বিয়ার খেলোয়াড়দের দেখানো হয়েছে ৬টি হলুদ কার্ড, আর্জেন্টিনাকে ৪টি।

>> বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ বাদে আসরে ম্যাচে সমতা থাকা অবস্থায় গড়ে ৫৮% বল ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। এগিয়ে থাকা অবস্থায় সেটি কমে দাঁড়ায় ৪০%। 

>> এই ম্যাচ দিয়ে কলম্বিয়ার হয়ে শততম ম্যাচ খেললেন উইঙ্গার ‍হুয়ান কুয়াদরাদো। এর মধ্যে বিশ্বকাপে রয়েছে ৯টি, কোপা আমেরিকায় ২০টি, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ৩২টি ম্যাচ। প্রীতি ম্যাচ খেলেছেন ৩৯টি। ২০১০ সালে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল কুয়াদরাদোর।

>> কলম্বিয়াকে সমতায় ফেরানো গোল করে টুর্নামেন্টে দেশের সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেন লুইস দিয়াস (২ গোল)। দলটির হয়ে লক্ষ্যে শট নেওয়ার তালিকায় তিনি আছেন চারে। তার আগে রয়েছেন দুভান সাপাতা (১৪টি), মিগেল বোরহা (১০টি) এবং ইয়েরি মিনা (৮টি)।