রেকর্ড গড়ে ম্যাককিওনের ‘প্রথম’

ব্যক্তিগত ও দলীয় ইভেন্টে এর আগে অনেক পদকই পেয়েছেন এমা ম্যাককিওন। সোনার ঝিলিক ছিল সেখানেও। কিন্তু একটা আক্ষেপের জায়গাও ছিল। ব্যক্তিগত ইভেন্টে কখনও সেরা হতে পারেননি। এতদিনের অদেখা সেই সোনার হাসি অবশেষে ফুটে উঠল অস্ট্রেলিয়ার এই সাঁতারুর মুখে।

টোকিও অ্যাকুয়াটিকস সেন্টারে শুক্রবার ১০০ মিটার ফ্রিস্টাইলে ৫১ দশমিক ৯৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে অলিম্পিকের রেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন ম্যাককিওন।

গত আসর ও এবারের আসর মিলিয়ে দুটি দলীয় সোনা, দুটি দলীয় রুপা, দুটি দলীয় ব্রোঞ্জ ও একটি ব্যক্তিগত ব্রোঞ্জ জয়ের পর শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগত ইভেন্টে সোনার পদকে চুম্বন চিহ্ন এঁকে দিতে পারলেন ২৭ বছর বয়সী এই সাঁতারু।

এবারের অলিম্পিকসে সাঁতার থেকে এটি নিয়ে পঞ্চম সোনার পদক পেল অস্ট্রেলিয়া।

এমা ম্যাককিওনের বাবা রন ম্যাককিওনও ছিলেন সাঁতারু। ১৯৮০ ও ১৯৮৪ অলিম্পিকিস সাঁতারে অংশ নিয়ে পৌঁছতে পারেননি পদকের লড়াই পর্যন্ত। এমার দুই বছরের বড় ভাই ডেভিড ম্যাককিওন ২০১২ অলিম্পিকসে বাদ পড়েন ৪০০ মিটার ফ্রিস্টাইলের হেট থেকে। পারিবারিক সই আক্ষেপ আগেই ঘুচিয়েছেন এমা ম্যাককিওন। এবার ব্যক্তিগত একটা ঘাটতির জায়গাও পূরণ হলো।

১০০ মিটার ফ্রিস্টাইলে হিটে ৫২ দশমিক ১৩ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেরা হয়ে ম্যাককিওন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন দারুণ কিছুর। পদকের লড়াইয়ে আরও কম সময় নিয়ে বাজিমাত করে উচ্ছ্বাসে ভাসছেন নিউ সাউথ ওয়েলসের উলংগং থেকে উঠে আসা এই সাঁতারু।

“আমি কখনই অলিম্পিকস বা বিশ্ব প্রতিযোগিতায় ব্যক্তিগত ইভেন্টে সোনা জিতিনি। অলিম্পিকের পদকের বেদিতে সবচেয়ে উঁচু জায়গাতে উঠতে পারা…সব মিলিয়ে এটাই অলিম্পিক।”

“বিশ্বাসই করতে পারছি না যে মাত্রই আমি সোনার পদক জিতেছি গেছি। উলোতে (উলংগং) যখন ফিরব, তখন এই আবেগ আসল রূপ নিয়ে বেরিয়ে আসবে।”

৫২ দশমিক ২৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে এশিয়ান রেকর্ড গড়ে এ ইভেন্টে রুপা পেয়েছেন হংকং চীনের শিভন বের্নাডেট হোহি। ব্রোঞ্জ পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কেট ক্যাম্পবেল (৫২ দশমিক ৫২ সেকেন্ড)।