প্রতি-আক্রমণে বার্সাকে কাবু করে তৃপ্ত আনচেলত্তি

মৌসুমের প্রথম ক্লাসিকোকে সামনে রেখে কথার লড়াইয়ের চেয়ে মাঠের ছক সাজানোয় ডুবে ছিলেন কার্লো আনচেলত্তি। পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার বিপক্ষে জিতেছে দল। রিয়াল কোচের মনে তাই কাজের কাজ করার তৃপ্তি।

বার্সেলোনার মাঠ কাম্প নউয়ে রোববার ২-১ গোলে জিতেছে রিয়াল। দাভিদ আলাবা দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লুকাস ভাসকেস। শেষের বাঁশি বাজার আগ মুহূর্তে ব্যবধান কমান বদলি নামা ফরোয়ার্ড সের্হিও আগুয়েরো।

দারুণ এ জয়ে ৯ ম্যাচে ৬ জয় ও ২ ড্রয়ে ২০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ফিরেছে রিয়াল। যথাক্রমে পরের দুটি স্থানে থাকা সেভিয়া ও রিয়াল সোসিয়েদাদের পয়েন্টও সমান ২০। সমান ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে ৯ নম্বরে নেমে গেছে বার্সেলোনা।

ব্যর্থতার একটি বৃত্তও অবশেষে ভাঙলেন আনচেলত্তি। এসি মিলান, পিএসজি ও আগের দফায় রিয়াল কোচ হিসেবে কখনোই কাম্প নউয়ে জয়ের অভিজ্ঞতা ছিল না এই ইতালিয়ান কোচের। এবার মৌসুমের প্রথম ক্লাসিকোতেই পেলেন সেই স্বাদ।

প্রতিপক্ষের মাঠে খেলা; করোনাভাইরাসের কারণে থাকা নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় গ্যালারিতেও ছিল ৮৬ হাজারের বেশি দর্শক। ঠাসা গ্যালারির সামনে শুরুতে অবশ্য খুব একটা উপভোগ্য ফুটবল উপহার দিতে পারেনি কোনো দল। কিন্তু নিজেদের করণীয়টুকু ঠিকই করেছে রিয়াল। ম্যাচ শেষের প্রতিক্রিয়ায় তাই তৃপ্তি ঝরল আনচেলত্তির কণ্ঠে।

“আমরা একটা প্র্যাক্টিক্যাল গেম খেললাম। কী করা প্রয়োজন, সেটা আমরা জানতাম এবং ছেলেরা সে পরিকল্পনা নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করেছে।”

দুটি গোলই রিয়াল তুলে নেয় পাল্টা আক্রমণ থেকে। ৩২তম মিনিটে ভিনিসিউস জুনিয়রের বাড়ানো পাস রদ্রিগো ধরে বাড়ান বাঁ দিকে থাকা আলাবাকে। এই অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডার বিনা বাধায় বক্সে ঢুকে বুলেট গতির কোনাকুনি শটে ঠিকানা খুঁজে নেন।

দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে প্রতি-আক্রমণ থেকেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ভাসকেস। মার্কো আসেনসিওর শট টের স্টেগেন ফেরানোর পর আলগা বল জালে পাঠান তিনি। পাল্টা আক্রমণে দলের সাফল্যেই খুশি আনচেলত্তি।

“আমাদের দল প্রতি-আক্রমণে খেলা উপভোগ করে এবং এই সুযোগ আমাকে নিতে হতো।”