রিয়ালের গোলমুখে আমরা নিখুঁত ছিলাম না: কুমান

প্রত্যয় ছিল ভরডরহীন খেলার। লক্ষ্য ছিল সুযোগগুলো কাজে লাগানোর। কিন্তু রোনাল্ড কুমানের চাওয়ার সঙ্গে পিকে-ফাতিদের খেলার মিল ছিল যৎসামান্য। রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে মৌসুমের প্রথম লড়াইয়ে হারের পর বার্সেলোনা কোচও বললেন, প্রতিপক্ষের গোলমুখে তার দল ছিল না যথেষ্ট কার্যকর।

করোনাভাইরাসের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় রোববার কাম্প নউয়ের গ্যালারি ছিল দর্শকে ভরা। চেনা মাঠে, চেনা দর্শকদের সামনে কুমানের শিষ্যরা পারেনি নিজেদের মেলে ধরতে। হেরে যায় ২-১ গোলে।

৩২তম মিনিটে দাভিদ আলাবা রিয়ালকে এগিয়ে নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লুকাস ভাসকেস। শেষের বাঁশি বাজার আগ মুহূর্তে ব্যবধান কমান বদলি নামা আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড সের্হিও আগুয়েরো।

প্রথমার্ধের মলিনতা কাটিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে বলের নিয়ন্ত্রণে বার্সেলোনা আধিপত্য করলেও অ্যাটাকিং থার্ডে ফাতি-কৌতিনিয়োরা ছিলেন বিবর্ণ। মোট ১২টি আক্রমণের মাত্র দুটি লক্ষ্যে রাখতে পারে তারা।

আলাবার গোলের আগে বার্সেলোনাকে এগিয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন সের্জিনো দেস্ত। পাল্টা আক্রমণে মেমফিস ডিপাইয়ের বাড়ানো বল আনসু ফাতি নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হলে পেনাল্টি স্পটের কাছে পেয়ে যান তিনি। কিন্তু বিনা বাধায় উড়িয়ে মেরে হতাশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের এই ডিফেন্ডার।

এরপর মেমফিসের কর্নারে জেরার্দ পিকের হেড ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। বদলি নামার পর পরই আগুয়েরোর হেডের পরিণতিও একই। ম্যাচ শেষের প্রতিক্রিয়ায় কুমানের কণ্ঠেও ফুটে ওঠে প্রতিপক্ষের গোলমুখে ধারহীন থাকার হতাশা।

“ফল নিয়ে আমি খুশি নই। আমি মনে করি, আমরা আরও ভালো কিছুর যোগ্য ছিলাম। যদিও নিজেদের মাঠে সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষের কাছে এমন আঁটসাঁট ম্যাচে হার হজম করতে হচ্ছে আমাদের। ”

“জানতাম, সুযোগ নষ্টের ক্ষতি আমরা পুষিয়ে নিতে পারব না এবং রিয়াল যদি এগিয়ে যায়, তাহলে সেটা কিভাবে আগলে রাখতে হয়, তারা সেটা জানে। শেষ ভাগে (মাঠের) আমরা ভালো ছিলাম না।”

এই জয়ে ৯ ম্যাচে ৬ জয় ও ২ ড্রয়ে ২০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ফেরে রিয়াল। অবশ্য দিনের পরের ম্যাচে আতলেতিকো মাদ্রিদের সঙ্গে ২-২ ড্র করে ২১ পয়েন্ট নিয়ে আবার চূড়ায় ওঠে রিয়াল সোসিয়েদাদ। দলটি এক ম্যাচ বেশি খেলেছে।

রিয়ালের সমান ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে ৯ নম্বরে নেমে গেছে বার্সেলোনা।