ফিফার বিশেষ পুরস্কার পেলেন রোনালদো

ফিফার বর্ষসেরা সংক্ষিপ্ত তিনে ছিলেন না ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। তবে পর্তুগিজ তারকা ঠিকই ‘দা বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ডস’ অনুষ্ঠানে আলো ছড়ালেন। সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক গোলদাতার সিংহাসনে বসার স্বীকৃতি পেলেন। বিশেষ পুরস্কারটি নিতে এসে জানালেন আগামী নিয়ে ভাবনা।

সুইজারল্যান্ডের জুরিখে সোমবার রাতে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার ‘দা বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ডস’ অনুষ্ঠানে ২০২১ সালের সেরাদের পুরস্কৃত করে ফিফা। ফিফপ্রো মেন্স একাদশের আক্রমণভাগে ঠাঁই পেয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফেরা রোনালদো।

ইরানের আলি দাইয়ের করা ১০৯ গোলের রেকর্ড গত বছরই নিজের করে নেন রোনালদো। ৩৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের পর্তুগালের হয়ে মোট গোলসংখ্যা ১১৫টি। বয়সকে স্রেফ তুড়ি মেরে ছুটে চলা রোনালদো বরাবরের মতোই প্রত্যয়ী কণ্ঠে দিলেন এগিয়ে চলার বার্তা। জানালেন, ফুটবলের প্রতি তার নিবেদন ও ভালোবাসার কথা।

“এখনও খেলাটির প্রতি এবং গোল করার প্রতি আমার প্যাশন কাজ করে। পাঁচ বছর বয়স থেকে ফুটবল খেলছি। যখন আমি মাঠে যাই, এমনকি অনুশীলন করি, আগের মতোই অনুপ্রেরণা অনুভব করি। কদিনের মধ্যে ৩৭ বছর হবে আমার, কিন্তু আমি ভালো বোধ করছি। কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যাচ্ছি।”

“আমি খেলাটিকে ভালোবাসি এবং খেলাটির প্রতি আমার আবেগ আছে। আমি চালিয়ে যেতে চাই। আশা করি, হয়ত আরও চার বা পাঁচ বছর ফুটবল খেলে যেতে পারব। এটা আসলে (বয়স নয়) মানসিক বিষয়। নিজের শরীরের যথাযথ যত্ন নিলে প্রয়োজনের সময় প্রতিদান মিলবে।”

সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক গোলের মালিক হতে পেরে স্বপ্ন পূরণের আনন্দে ভাসছেন রোনালদো। দারুণ এই পথচলায় সহযোগিতার হাত নিয়ে পাশে থাকা জাতীয় দলের সতীর্থদের প্রশংসা করতে ভোলেননি। আবারও বাবা হওয়ার সুখবরও দিয়েছেন তিনি। 

“প্রথমত গত ২০ বছর ধরে পাওয়া জাতীয় দলের সব সতীর্থ, যাদের সঙ্গে আমি খেলেছি, তাদেরকে ধন্যবাদ দিতে চাই। রেকর্ডটা ছিল ১০৯ গোলের, তাই তো? তাহলে এখন ছয়টা বেশি গোল আমার। আমি ভীষণ গর্বিত। ফিফার কাছ থেকে এটা আমার জন্য বিশেষ পুরস্কার। সংস্থাটিকে আমি ভীষণ শ্রদ্ধা করি।”

“(এই পথচলায়) আমার পরিবারকেও ধন্যবাদ জানাতে হবে। শিগগিরই আমি আবারও বাবা হবো। আমি খুবই গর্বিত। সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে পারাটা দারুণ ব্যাপার।”