চ্যালেঞ্জ জিততে চান হেমন্ত, জীবন ইস্যুতে চুপ জামাল

কিংস অ্যারেনায় মঙ্গলবার প্রথম দিনের অনুশীলন সারল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। কিন্তু প্রস্তুতির চেয়ে আলোচনার কেন্দ্রে যেন নাবীব নেওয়াজ জীবনের ক্যাম্প থেকে বাদ পড়া। তপ্ত এই ইস্যু নিয়ে কথা বলতে যদিও রাজি হননি অধিনায়ক জামাল ভূইয়া।

আলোচনা চলছে লম্বা সময় পর ফেরা হেমন্ত ভিনসেন্ট বিশ্বাসকে নিয়েও। চোটের থাবায় হারানো অবস্থান ফিরে পাওয়ার চ্যালেঞ্জ জয়ের আশাবাদ প্রত্যয়ী কণ্ঠে শুনিয়েছেন এই মিডফিল্ডার।

আগামী ৮ জুন মালয়েশিয়ার কুয়ালা লামপুরে শুরু হবে এশিয়ান কাপের বাছাই। এ উপলক্ষে কিংস অ্যারেনায় মাঠের প্রস্তুতি শুরু করেছে দল। কিন্তু দেরিতে আসায় সতীর্থদের সঙ্গে জীবনকে অনুশীলনের অনুমতি দেননি জাতীয় দলের কোচ হাভিয়ের কাবরেরা। আবাহনীর এই ফরোয়ার্ডকে ‘আপাতত বাদ’ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন টিম ম্যানেজার ইকবাল হোসেন।

প্রথম দিনের প্রস্তুতির শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন জামাল। জীবন ইস্যুতে মুখোমুখি হন প্রশ্নের। জাতীয় দলের অধিনায়ক বিষয়টি পাশ কাটিয়ে যান।

“ক্যাম্পে যারা আছে, তারা লিগে ভালো করেছে, তাদের নিয়েই কোচ প্রস্তুতি শুরু করেছে। জীবনের ব্যাপারটা আমি আসলে জানি না। তাই এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করব না।”

“দীর্ঘ দিন পর আমরা জাতীয় দলের হয়ে অনুশীলন করছি। ভিন্ন ভিন্ন ক্লাব থেকে সতীর্থরা এসেছে, তাদের সঙ্গে জাতীয় দলের হয়ে অনুশীলন করতে সবসময় ভালো লাগে।”

বাছাইয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ বাহরাইন, তুর্কমেনিস্তান ও মালয়েশিয়া। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সতীর্থদের কাছে সেরা পারফরম্যান্সের দাবি জামাল জানিয়ে রাখলেন আগেভাগেই।

“সবাই সাফল্য চায়, কিন্তু সেটা পেতে হলে পুরো দলকে পারফরম করতে হয়। এশিয়ান কাপ বাছাই কঠিন হবে, অবশ্যই আমরা সাফল্য চাই, জানি সামনে কঠিন ম্যাচ আছে, সাফল্য পেতে হলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।”

২০১৬ সালে ভুটানের বিপক্ষে জাতীয় দলের হয়ে সবশেষ খেলেছিলেন হেমন্ত। ২০১৮ সালে সবশেষ ছিলেন জাতীয় দলের ক্যাম্পে। কিন্তু চোটের কারণে আড়ালে চলে যান তিনি। ২৬ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার এখন ফিরে পেতে চান হারানো জায়গা।

“প্রথমত বলতে চাই, দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরেছি। আমাকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য কোচকে ধন্যবাদ। আগেও বলেছি, দলে ফিরতে পেরেছি বলেই সন্তুষ্ট নই, দেশের হয়ে যখন আমি একাদশে খেলব, সাফল্য নিয়ে আসব, তখনই বলতে পারব আমি সন্তুষ্ট।”

“আমি চ্যালেঞ্জ নিতে চাই, পারফরম্যান্স করতে চাই, যাতে করে কোচ আমাকে সেরা একাদশে সুযোগ দেন এবং আমি এই জায়গা নিতে এসেছি। চাপ অনুভব করছি না..এতদিন পরে ফেরা অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং, সবার জন্যই দেশের হয়ে খেলা চ্যালেঞ্জিং। যারা এতদিন জাতীয় দলের হয়ে খেলেছে, তারা একটা ট্র্যাকে ছিল, সেক্ষেত্রে আমার জন্য অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং এবং জায়গা পেতে হলে লড়াই করতে হবে। কোচও বলেছেন, যারাই পারফরম করবে, সুযোগ পাবে, তাই আমিও এই চ্যালেঞ্জ নিতে চাই।”