অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডের সঙ্গে নিজের মিল দেখছেন কাফু

ইতিহাসের সেরা রাইট-ব্যাকদের একজন তিনি। এই পজিশনে এখনকার সময়ের সেরাদের একজন হিসেবে বিবেচিত ট্রেন্ট অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডের খেলায় মুগ্ধ কিংবদন্তি কাফু। লিভারপুল ডিফেন্ডারের মধ্যে নিজের ছায়া দেখেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ী এই অধিনায়ক।

চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত দুটি শিরোপা জেতা লিভারপুল আছে প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের লড়াইয়েও। মৌসুম জুড়ে দুর্দান্ত খেলে তাতে বড় অবদান রেখেছেন অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড।

তার মূল কাজ রক্ষণ, সেখানে তিনি যথারীতি দারুণ খেলছেন। এছাড়া আক্রমণেও সপ্রতিভ অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৯ গোলে অবদান রেখেছেন, নিজে করেছেন দুটি।

লিভারপুলের একাডেমি থেকে উঠে আসা অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডের মূল দলে অভিষেক হয় ২০১৬-১৭ মৌসুমে। এরপর থেকে দলটির হয়ে এখন পর্যন্ত ২০০ টিরও বেশি ম্যাচ খেলেছেন ২৩ বছর বয়সী এই ফুটবলার

বিবিসিতে শনিবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এই তরুণ ডিফেন্ডারের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন ১৯৯৪ ও ২০০২ বিশ্বকাপ জেতা কাফু। তার মতে, বয়সের তুলনায় অনেক পরিণত অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড।

“আমি অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডের খেলা এবং লিভারপুলে সে মৌসুমটা কেমন কাটাচ্ছে তা দেখেছি। গত কয়েক বছরে অসাধারণ উন্নতি করেছে এবং নিঃসন্দেহে সে বিশ্বের সেরা রাইট-ব্যাকদের একজন।”

“সে তরুণ, শক্তিশালী এবং তার বয়সের বিবেচনায় দারুণ উন্নতি করেছে। সে অনেক অভিজ্ঞও এবং তার সঙ্গে আমি নিজের অনেক মিল দেখতে পাই।”

খেলোয়াড়ি জীবনে কাফু মূলত ডিফেন্ডার হলেও আক্রমণেও তিনি ছিলেন দারুণ কার্যকর। নিজেদের রক্ষণ সামলে প্রতিপক্ষের রক্ষণকে চ্যালেঞ্জ জানানোর দারুণ সব কৌশল জানা ছিল তার। অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডের মধ্যেও তা দেখতে পান ৫১ বছর বয়সী কাফু।

“আমার মতো তারও আক্রমণে যাওয়ার ইচ্ছা ও একাগ্রতা আছে। সামনে এগিয়ে যাওয়ার এবং শট নেওয়ার সাহসিকতা ও ক্রস বাড়ানোর সামর্থ‍্য আছে।”

ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪২টি ম্যাচ খেলা কাফু দুইবার জেতেন কোপা আমেরিকার শিরোপা।

কাফু তার ক্লাব ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময়ে খেলেছিলেন ইতালির দুই ক্লাব রোমা ও এসি মিলানে। ২০০৮ সালে অবসর নেওয়া কাফু জেতেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, সেরি আ সহ আরও অনেক শিরোপা।