ইতিহাস গড়লেন আনচেলত্তি

ফাইনালের আগে তিনি বলেছিলেন, লিভারপুলের যদি প্রতিশোধ নেওয়ার থাকে, তাহলে রিয়াল মাদ্রিদেরও আছে। ১৯৮০-৮১ মৌসুমে প্যারিসের সেই হারের শোধ ঠিকই নিয়েছে রিয়াল। তাতে অবিশ্বাস্য প্রাপ্তির এক চূড়ায় পদচিহ্ন আঁকা হয়ে গেছে কোচ কার্লো আনচেলত্তিরও।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে শনিবার রাতে লিভারপুলকে ১-০ গোলে হারিয়েছে রিয়াল। ৫৯তম মিনিটে ব্যবধান গড়ে দেওয়া গোলটি করেন ভিনিসিউস জুনিয়র।

এই প্যারিসেই চার দশকের বেশি সময় আগে রিয়ালকে ঠিক এই স্কোরলাইনে হারিয়েই উৎসবে মেতেছিল লিভারপুল। এবার তারা ফিরল একরাশ বিষন্নতা নিয়ে।

এ নিয়ে ১৪তম বারের মতো ইউরোপ সেরার মুকুট জিতল রিয়াল। প্রথম কোচ হিসাবে চারটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতলেন আনচেলত্তি।

এই ফাইনালের আগে আনচেলত্তির সঙ্গে সর্বাধিক তিনটি করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয়ী ছিলেন রিয়ালের সাবেক কোচ জিনেদিন জিদান ও লিভারপুলের সাবেক কোচ বব পেইজলি।

১৯৯৬ সালে না ফেরার দেশে পাড়ি জমানো পেইজলি ওপারে বসেই আনচেলত্তির সাফল্য দেখেছেন কিনা, কে জানে; কিন্তু প্যারিসের গ্যালারিতে বসে জিদান ঠিকই দেখেছেন।

প্রথম কোচ হিসেবে একাধিক ক্লাবের হয়ে দুটি করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের কীর্তি গড়লেন আনচেলত্তি। ৬২ বছর বয়সী এই কোচের হাত ধরে এসি মিলান দুইবার ইউরোপ সেরার প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, ২০০২-০৩ ও ২০০৬-০৭ মৌসুমে।

রিয়াল কোচ হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম শিরোপা স্বাদ আনচেলত্তি পেয়েছিলেন ২০১৩-১৪ মৌসুমে। সেবার লিসবনের ফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ৪-১ গোলে হারিয়েছিল তারা।