লোকসান কমাতে কর্মী ছাঁটাইয়ে জেমিনি সি ফুড

করোনাভাইরাস মহামারীর ধাক্কায় লোকসান কমাতে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে হিমায়িত মাছ রপ্তানিকারক কোম্পানি জেমিনি সি ফুড লিমিটেড।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে খাদ্য খাতে তালিকাভুক্ত এই কোম্পানি বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানিয়েছে।

জেমিনি সি ফুড বলছে, গত মার্চ মাস থেকে তাদের রপ্তানি ‘খুবই’ কমে গেছে। লোকসান কমাতে তারা খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেজন্য কোম্পানির কিছু কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং কর্মী ছাঁটাই করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকায় হিমায়িত মাছ রপ্তানি করে জেমিনি সি ফুড। চিংড়ি ছাড়াও কোরাল, রূপচাঁদা ও অন্যান্য মাছ রয়েছে তাদের পণ্য তালিকায়।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যে দেখা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারি-মার্চ সময়ে প্রায় আড়াই কোটি টাকা লোকসান করেছে জেমিনি সি ফুড। লোকসানের এই অংক তাদের গত তিন বছরের মুনাফার সমান।

জানুয়ারি-মার্চ প্রন্তিকে তারা প্রতি শেয়ারে ৫ টাকা ৩৪ পয়সা লোকসান দেখিয়েছে। ৪৬ লাখ ৯৬ হাজার ৩১৩টি মোট শেয়ারের হিসেবে তাদের লোকসানের পরিমাণ হয় ২ কোটি ৫১ লাখ টাকার মত।

অথচ ২০১৭ অর্থবছরে ২ কোটি ১৬ লাখ, ২০১৮ সালে ২৬ লাখ এবং ২০১৯ সালে ১৬ লাখ টাকা মুনাফা দেখিয়েছিল এ কোম্পানি। অর্থাৎ, ওই তিন বছরে তাদের ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা মুনাফা হয়েছিল।

জেমকন গ্রুপের কোম্পানি জেমিনি সি ফুড ১৯৮২ সালে কার্যক্রম শুরুর তিন বছরের মাথায় ঢাকার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

এ কোম্পানির চেয়ারম্যান আমিনা আহমেদ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ইনাম আহমেদ। কাজী নাবিল আহমেদ ও কাজী আনিস আহমেদ আছেন পরিচালক হিসেবে।