ডিএসই সূচকে যোগ হলো ৫৩ পয়েন্ট

মঙ্গলবার লেনদেন শেষে ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিন থেকে ৫২ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট বা দশমিক ৭৩ শতাংশ বেড়ে ৭ হাজার ২৫৮ দশমিক ৫৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এই বাজারে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ বা ১৪৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বেড়েছে।

ঢাকায় এদিন ১ হাজার ৯১০ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা আগের কর্মদিবসে ছিল ১ হাজার ৭৬২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধান পুঁজিবাজারে ৬০ শতাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে। 

মঙ্গলবার এ বাজারে লেনদেন হয়েছে ৩৭৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২২৪টির এবং কমেছে ১১৭টির। অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টির দর।

ঢাকার অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ১৬ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৫৮৬ দশমিক ৯৭ পয়েন্টে।

ডিএস৩০ সূচক ২৪ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ৬৮৫ দশমিক ৯৯ পয়েন্টে।

লেনদেনের শীর্ষ ১০ টি কোম্পানি

বেক্সিমকো লিঃ, বেক্সিমকো ফার্মা, আলিফ ম্যানুফেকচারিং, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, সাইফ পাওয়ার, ম্যাকসন্স স্পিনিং, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, খুলনা পাওয়ার, প্যাসিফিক ডেনিমস ও রূপালী ইন্স্যুরেন্স। 

দাম বাড়ার তালিকায় শীর্ষ ১০ টি কোম্পানি

প্যাসিফিক ডেনিমস, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, আলিফ ম্যানুফেকচারিং, প্রিমিয়ার লিজিং, ম্যাকসন্স স্পিনিং, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স, এফএএস ফাইন্যান্স, পেনিনসুলা চিটাগং ও মাইডাস ফাইন্যান্স।

সবচেয়ে বেশি দর হারানো ১০ টি কোম্পানি

রিলায়েন্স ওয়ান মিঃ ফাঃ, আইসিবি এএমসিএল সেকেন্ড মিঃ ফাঃ, ইন্টার্ন লুব্রিকেন্টস, ন্যাশনাল হাউজিং, বিডি ল্যাম্পস, পেপার প্রসেসিং, মেঘনা পেট, ডরিন পাওয়ার, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর ও লিব্রা ইনফিউশন।

এদিন চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে সূচক বাড়লেও লেনদেন কমেছে। 

এই বাজারের প্রধান সূচক সিএএসপিআই ২১০ দশমিক ২৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২১ হাজার ২৪০ দশমিক ৪৯ পয়েন্টে।

মঙ্গলবার এই বাজারে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ বা ৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা কমেছে।

এদিন মোট ৭০ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিন ছিল ৭৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।

সিএসইতে ৩২৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৪টির, কমেছে ১০০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টির দর।