হয়তো কয়েক মাসেও জানা যাবে না জয়ী কে: ট্রাম্প

আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দেওয়া নিয়ে আবারও নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করে ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, নভেম্বরে ভোটের পর জয়ী কে তা জানতে হয়তো কয়েক মাস লেগে যাবে।

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট। করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে এবার আমেরিকার অর্ধেক ভোটার ডাকযোগে ভোট দেবেন। শুরু থেকেই ডাকযোগে ভোটের ঘোর বিরোধী ট্রাম্প।

তবে ট্রাম্পের মত কয়েক মাস না বললেও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবার ভোটের ফলাফল জানতে বেশ কয়েকদিন লেগে যাবে। কারণ, যারা ডাকযোগে ভোট দেবেন তাদের ব্যালট নানা কারণে ৩ নভেম্বরের পরেও নির্বাচন কমিশনে পৌঁছাবে। ফলে কর্মকর্তাদের ভোট গুণে শেষ করতে আরো বেশ কিছুদিন সময় লেগে যাবে। 

শুক্রবার ভার্জিনিয়ার নিউপোর্ট নিউজে এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ডাকযোগে ভোটের ব্যালট পৌঁছানোর জন্য অপেক্ষা করার চাইতে তিনি বরং জয় বা পরাজয়ের বিষয়টি দ্রুত নিশ্চিত হতে পারলে খুশি হবেন।

‘‘আমি বরং টেলিভিশনে দেখতে চাই বলা হচ্ছে ‘বিজয়ী হয়েছেন....ঠিক আছে? এটা শোনার জন্য আপনি নিশ্চয়ই কয়েকমাস অপেক্ষা করতে পারেন না, কারণ সেটা হবে জগাখিচুড়ি অবস্থা।

‘‘ভোটের রাতেই আপনি বিজয়ীর নাম শুনতে পাবেন, এবার এটা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। হয়তো আমি এগিয়ে থাকবো এবং তখনও তারা একটার পর একটা ব্যালট পাবে, ব্যালট আসতে থাকবে, আসতেই থাকবে। তখন তারা বলবে, আরো পরেও ব্যালট আসতে পারে।”

মিশিগান, পেনসিলভানিয়া, উইসকনসিন এবং নর্থ ক্যালোরাইনার মত যেসব অঙ্গরাজ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার আভাস পাওয়া গেছে সেখানে এমনকি ভোট দিনও ভোটাররা নিজেদের পছন্দ জানিয়ে ডাকযোগে ব্যালট পাঠাতে পারেন। সেক্ষেত্রে স্বাভাবিভাবেই তাদের ব্যালট নির্বাচন কমিশনে পৌঁছাতে ৩ নভেম্বর পেরিয়ে যাবে। ওইসব ভোট গোণায় ধরা নিশ্চিত করতে এ মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত একটি নির্দেশ জারি করেছে। 

এদিকে নানা জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, রিপাবলিকানদের তুলনায় ডেমোক্রেটিক দলের সমর্থক ভোটাররা মহামারীর মধ্যে ভোটকেন্দ্রে ভিড় এড়াতে ডাকযোগে ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা বেশি করেছে।