যমুনার চরের চিনা বাদামে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা

বগুড়ায় যমুনার চরে তিন দফা বন্যায় ফসল নষ্টের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে চিনা বাদাম চাষ করছেন কৃষকরা। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বগুড়ার সারিয়াকান্দী উপজেলার চালুয়া বাড়ী, কর্নীবাড়ী, হাটশেরপুর, বোহাইল, চন্দন বাইশা, কামালপুর, কাজলা এলাকা, সোনাতলা উপজেলার কিছু এলাকা, ধুনটের বৈশাখী গ্রামে চিনা বাদাম চাষ হচ্ছে।

ইতিমধ্যে জমিতে চিনা বাদামের চারা উঠে গেছে। মাঠে শোভা পাচ্ছে চিনা বাদামের সবুজ সমারোহ।

কম খরচে এই চাষ করে অথিক লাভ হয় বলে চিনা বাদাম চাষ করছেন বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।

ধুনটের শহড়াবাড়ীর মহাতাফ তালুকদার বলেন, চিনা বাদাম চাষে সার কিংবা পানি দিতে হয় না। শুধু রোপন এবং জমি থেকে উঠাতে যত শ্রমিক লাগে তাই খরচ। প্রতি বিঘায় ১০ থেকে ১৫ মন বাদাম উৎপন্ন হয়।

সারিয়াকান্দী উপজেলার আওলাকান্দীর মজনু খা বলেন, “তিন দফা বন্যায় ফসল নষ্ট হওয়ার পর ১৫ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছি। কম খরচে বাদাম চাষ লাভজনক। কাঁচা বাদাম প্রতি মন ১২শ থেকে ১৫শ টাকায় বিক্রি করা যায়।”

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দুলাল হোসেন বলেন, বগুড়ার সারিয়াকান্দী, সোনাতলা, ধুনট এই তিন উপজেলার চরাঞ্চলে এবার ৯শ হেক্টর জমিতে চিনা বাদাম চাষ হচ্ছে। বাদাম চাষ লাভজনক। স্বল্প খরচেই বাদাম চাষ হয়। তাই কৃষকরা লাভবান হয়। চরাঞ্চলের দো-আঁশ মাটিতে বাদাম বেশি উৎপন্ন হয়ে থাকে।

বাদাম থেকে তেল হয়; বিভিন্ন খাদ্য তৈরি হয় এবং বাদাম ভেজে খাওয়া যায়। বাজারে যথেষ্ট চাহিদা আছে।