গাজীপুরে বিউটিশিয়ানকে ‘দলবেঁধে ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ২

গাজীপুরে বিউটিশিয়ানকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জেলার শ্রীপুর থানার পরিদর্শক গোলাম সারোয়ার জানান, শুক্রবার তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার পর পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আদালতে পাঠিয়েছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন- শ্রীপুর উপজেলার শিমুলতলী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মো. কামরুজ্জামান (৪০) ও ধামলাই গ্রামের আবুল কালামের ছেলে মো. গোলাপ মিয়া (৩৩)।

এই দুইজন ছাড়াও মামলায় অজ্ঞাতনামা আরেকজনকে আসামি করা হয়েছে।

পরিদর্শক গোলাম সারোয়ার মামলার নথির বরাতে বলেন, বিউটিশিয়ান ও তার এক বান্ধবী ময়মনসিংহের ত্রিশাল এলাকায় বিউটি পার্লারে কাজ করেন। বিউটিশিয়ানের সঙ্গে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মো. মোস্তফা নামে একজনের গত আট মাস আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মোস্তফার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে শুক্রবার বিকেলে ভাগ্নির জন্য পাত্র দেখতে ওই বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে  ময়মনসিংহের ত্রিশাল থেকে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ এলাকার বেলদিয়া গ্রামে যান। দেখার পর রাত ১০টায় কাওরাইদ বাজার থেকে অটোরিকশায় ত্রিশালের উদ্দেশে রওনা হন। জৈনাবাজার-কাওরাইদ সড়কে বলদীঘাট বাজার এলাকায় পৌঁছালে তিনজন তাদের গতিরোধ করে ভয় দেখিয়ে বান্ধবীকে বাইরে আটকে রেখে বিউটিশিয়ান নারীকে বদলিঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ভবনের একটি কক্ষে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে তারা পালিয়ে যায়। বিউটিশিয়ান শ্রীপুর থানার টহল পুলিশকে ঘটনার বিস্তারিত জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল এলাকায় অভিযান চালিয়ে কামরুজ্জামান ও গোলাপকে আটক করে। এ সময় অপরজন পালিয়ে যায়।

পরিদর্শক গোলাম সারোয়ার জানান, বিউটিশিয়ানকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত দুইজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।