ভোলায় যুবলীগ নেতা টিটু নিহতের ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার

হাসপাতালে নিহত মো. খোরশেদ আলম টিটুর মরদেহের পাশে স্বজন-শুভানুধ্যায়ীরা
ভোলায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বহনকারী নৌকায় অজ্ঞাত বন্দুকধারীর গুলিতে যুবলীগ নেতা খোরশেদ আলম টিটু নিহতের ঘটনায় মামলার পর একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  

গ্রেপ্তার আবুল বাশার (৩৫) ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকার আবু সাঈদের ছেলে।

ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মো. এনায়েত হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে নিহত টিটুর ভাই মো. হানিফ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

এর পরপরই সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকা থেকে আবুল বাশারকে গ্রেপ্তার করেন তারা।

মামলায় মদনপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী জামাল উদ্দিন সকেটকে প্রধান করে ১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার দুপুরে ভোলা সদরের ধনিয়া ইলিয়াছ মিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জানাজা শেষে টিটুকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে বলে ওসি এনায়েত জানান। 

ধনিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক টিটু মদনপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন নান্নু ডাক্তারের সমর্থক ছিলেন।

শুক্রবার বিকালে বিজয়ী চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন নান্নু ডাক্তার ভোটারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং আনন্দ মিছিলে অংশ নেন।

অনুষ্ঠান শেষে ট্রলারে করে ভোলা শহরে ফেরার সময় নাছির মাঝি এলাকায় একই ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী জামাল উদ্দিন সকেটের সমর্থকদের সঙ্গে ও নান্নু ডাক্তারের লোকজনের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান টিটু।