নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু: ট্রাক চালক গ্রেপ্তার

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় এক ট্রাক চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সুধারাম থানার ওসি মো. সাহেদ উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার সেতুভাঙ্গা এলাকা থেকে  জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে। এর আগে ঘটনাস্থল থেকে ট্রাকটি আটক করেছিল পুলিশ।

গ্রেপ্তার মো. মামুন আলী (৫৮) চুয়াডাঙ্গা জেলার সাতগাড়ী গ্রামের নতুনপাড়ার জবেদ আলী মন্ডলের ছেলে।

মঙ্গলবার দুপুরে সোনাপুর এলাকায় ট্রাক চাপায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র অজয় মজুমদার (২২) নিহত হন।

ওসি জানান, এ ঘটনায় রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. জসিম উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তার মামুন আলীকে বুধবার আদালতে হাজির করা হবে।

নোয়াখালীতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নিহত, সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ  

এদিকে, রাত ৯টার দিকে সুবর্ণচর উপজেলায় অজয় মজুমদারের দাহ সম্পন্ন হয়। এর আগে ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলার সোনাপুরে সিএনজি অটোরিকশা থেকে নামার সময় পেছন দিক একটি ট্রাক অজয় মজুমদারকে চাপা দেয়। স্থানীয় তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে তিন ঘণ্টা সোনাপুর-মাইজদী সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা সোনাপুর জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে জেলা শহর মাইজদীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেন।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা।

অজয় মজুমদার সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের বাদল চন্দ্র মজুমদারের ছেলে।